
ইরানকে চীন কোনো ধরনের সহায়তা দিলে তা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য হবে বলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইরানকে চীনের সহায়তার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র-চীন আলোচনায় উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকেও বিষয়টি পুনরায় তোলা হয়।
পারডিউ বলেন, ওয়াশিংটন এরই মধ্যে বেইজিংকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—তথ্য, যন্ত্রাংশ কিংবা সামরিক সরঞ্জামসহ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যেকোনো ধরনের সহায়তা ইরানকে দেওয়া হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। ট্রাম্প শির সঙ্গে বৈঠকেও বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন বলে জানান তিনি।
তবে ইরানের প্রতি চীনের পরোক্ষ সহায়তার বিষয়ে উদ্বেগ থাকলেও হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখতে তেহরানকে বেইজিং সহায়তা করছে—এমন সরাসরি কোনো প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নেই বলে জানান পারডিউ।
তিনি বলেন, কিছু পরোক্ষ সমর্থনের তথ্য পাওয়া গেলেও এ বিষয়ে সরাসরি প্রমাণ নেই। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বেইজিংয়ের কাছে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি।
চীন ইরানি তেলের অন্যতম বড় আমদানিকারক। অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও তুলনামূলক কম দামে জ্বালানি আমদানির পাশাপাশি দুই দেশ কৌশলগত অংশীদারত্ব বজায় রেখে চলেছে। গত বছর চীন ও ইরানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ৪ হাজার ১০০ কোটি ডলারের বেশি ছিল।