
প্রায় চার দশক পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে চলা অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনকে ঘিরে বাংলাদেশের আগ্রহ ও প্রত্যাশা রয়েছে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা এবং বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী।
২৩ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
ভাষণে রোহিঙ্গা সংকটের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থান ও উদ্যোগ তুলে ধরবেন সরকারপ্রধান। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে অর্থায়ন নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কাজ করছে। জাতিসংঘে জলবায়ু ইস্যুতে আলোচনার সময় গ্র্যান্টভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়নের বিষয়টি তুলে ধরা হবে।
পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগও বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বৃক্ষরোপণ, খাল খনন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ।
সাইমুম পারভেজ বলেন, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় দেশে নেওয়া এসব কার্যক্রম আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের প্রত্যাশা, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
সফর শেষে ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।