
যশোর প্রতিনিধি
যশোর সদর উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামে এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে গ্রামের একটি পুকুরপাড়ের পাশের ঝোপ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মাদকের কারবার নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত যুবকের নাম সাঈদ হোসেন (৩২)। তিনি রঘুরামপুর গ্রামের নওয়াব আলীর ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, সাঈদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৪টি মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একই গ্রামের সুমন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে সাঈদের বাড়ির পাশের ঝোপে রক্ত দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে সেখানে তাঁর গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। মরদেহের পাশে একটি রক্তমাখা ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, মাদক ব্যবসা নিয়ে সাঈদ হোসেন ও সুমনের মধ্যে বিরোধ ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে দুজনের মধ্যে ছুরি নিয়ে সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে সাঈদকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
ওসি আরও জানান, ঘটনাস্থলের কাছ থেকে রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে সুমনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, আটক সুমনের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ।