
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আজ প্রথমবারের মতো ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশ সময় আজ মধ্যরাতে তাঁর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এ ভাষণে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন, মানবাধিকার, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের বক্তব্যের দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা রয়েছে। ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতিসংঘের মঞ্চে বাংলাদেশের স্বনির্ভরতা, কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন এবং দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় সার্ক।
১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর বক্তব্যে গণতন্ত্র, উন্নয়ন, মানবাধিকার, জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয় গুরুত্ব পায়।
এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের অবস্থান তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরা হবে।
রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ইতোমধ্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর জন্য কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য জলবায়ু অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের নীতি ও অগ্রাধিকারের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।