
ওমান উপসাগর ও খারগ দ্বীপের কাছে পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংসের দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কমান্ড সেন্টকম। হামলার আগে ট্যাংকারগুলোর চালকদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে তারা।
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, জর্ডানের আল আজরাক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে মার্কিন যুদ্ধবিমানের একটি হ্যাঙ্গার ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি দুটি মার্কিন নৌযান ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।
জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১৮টি তারা ধ্বংস করেছে। বাকি দুটি জনহীন এলাকায় পড়েছে। এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাণিজ্যিক জাহাজে মার্কিন হামলাকে জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন ও যুদ্ধাপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ওয়াশিংটন পিছু হটবে না। মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার চেষ্টার জবাবে ইরান আরও তেলবাহী ট্যাংকার হারাবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের মধ্যে নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ বেড়েছে। এরই মধ্যে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৪৯ ডলারে পৌঁছেছে।
