
বিশ্বব্যাপী করোনার ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই এবার সফলভাবে শেষ হয়েছে অস্কার আয়োজন। ১৯২৯ সাল থেকে এ আয়োজন হয়ে আসছে। প্রায় একশ’ বছরের ইতিহাসে কোভিডের কারণে এবার সামাজিক দূরত্ব মেনে পুরো আয়োজন সফল করাই ছিল মূল চ্যালেঞ্জ।
তবে শুধু পাস মার্কস নয়, লেটার মার্কস পেয়ে উতরে গেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ সঙ্গে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য প্রশাসনও। সাংবাদিকরাও জড়ো হন সে আয়োজনে।
চারিদিকে সাজ সাজ রব। কে বলবে করোনার প্রকোপে দীর্ঘদিন জর্জরিত যুক্তরাষ্ট্র? মহামারির দুঃখ ভুলে এবারের অস্কার আয়োজন সফল করাই ছিল মূল চ্যালেঞ্জ। সেখানে শতভাগের কাছাকাছি নম্বর পেয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় ও বিদেশি সাংবাদিকরা সে কথাই বলছেন।
১৯২৯ সাল থেকে অস্কারে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দিয়ে আসছে চলচ্চিত্র বিষয়ক বিজ্ঞান ও শিল্পকলার উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠিত মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস’। এ পুরস্কারের আসর উপলক্ষে লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত ডলবি থিয়েটারে প্রতি বছর থাকে জমকালো আয়োজন। এবার করোনার কারণে দু’মাস পিছিয়েছে আয়োজন, কিন্তু উৎসাহের কমতি ছিল না।
অস্কারের মূল আয়োজন ছাড়াও সময়ের পর্দা থেকে বাদ যায়নি নামীদামি সব সাংবাদিকদের কর্মচাঞ্চল্যও। এবারের একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের ভেন্যু ছিল দুটি। ডলবি থিয়েটার তো ছিলই, সঙ্গে যুক্ত হয় লস অ্যাঞ্জেলেসের ইউনিয়ন স্টেশন।
অস্কার আয়োজনের হলরুমে যারা বসেছিলেন তাদের তিন তিনবার করোনা পরীক্ষার ফল দেখাতে হয়েছে। ঢুকতে হয়েছে তাপমাত্রা পরীক্ষার মাধ্যমে। মাস্ক ছিল বাধ্যতামূলক। পুরো বিষয়টি নজরদারির জন্য ছিল বিশেষ সুরক্ষা দল।
বাইরে হাজার খানেকের বেশি ছিল উৎসুক জনতা। তবে তাদেরও সুন্দরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। আর এতেই হয়েছে পরিপাটি আয়োজন।
আয়োজক কর্তৃপক্ষ, মনোনীত সদস্য ও তাদের নিকটাত্মীয় ছাড়া মাত্র ১৭০ জন ভাগ্যবান দর্শক সরাসরি উপভোগ করেছেন ৯৩তম অস্কারের আসর।