ঢাকা
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

নতুন আইন সংযুক্ত আরব আমিরাতে: ১৫ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬   ২৫২ বার পঠিত
নতুন আইন সংযুক্ত আরব আমিরাতে: ১৫ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ

শিশুদের ডিজিটাল ঝুঁকি ও ক্ষতিকর অনলাইন কনটেন্ট থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে ১৫ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আমিরাতের মন্ত্রিসভার নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো শিশু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট, মন্তব্য, অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ, পাবলিক গ্রুপে যোগদান বা কোনো অনলাইন কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না। খবর গালফ নিউজের।

নতুন নীতিমালায় ১৫ থেকে ১৬ বছর বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হলেও তাদের জন্য কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে। এর মধ্যে বয়সভিত্তিক কনটেন্ট শ্রেণিবিন্যাস, ঝুঁকিপূর্ণ ফিচার বন্ধ রাখা এবং প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সক্রিয় রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর নতুন দায়িত্ব

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ভরযোগ্য বয়স যাচাই ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এ জন্য ডিজিটাল পরিচয়পত্র, জাতীয় পরিচয় যাচাই, বায়োমেট্রিক মিল বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বয়স নির্ধারণ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে।
শিশুদের লক্ষ্য করে ট্র্যাকিংভিত্তিক বিজ্ঞাপন বা আচরণগত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কেন এই সিদ্ধান্ত?

সরকার বলছে, বর্তমান প্রজন্ম ক্রমেই ডিজিটাল পরিবেশে বেড়ে উঠছে। প্রযুক্তি যেমন সুযোগ সৃষ্টি করছে, তেমনি নতুন ধরনের ঝুঁকিও তৈরি করছে। তাই শিশুদের নিরাপদ, ভারসাম্যপূর্ণ ও বয়সোপযোগী ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের মতে, এ সিদ্ধান্তের ফলে প্রযুক্তির সুফল থেকে শিশুরা বঞ্চিত হবে না। বরং তাদের মানসিক বিকাশ, সামাজিক সম্পর্ক ও বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহারকে ভারসাম্যপূর্ণ করা এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

পরিবার ও স্কুলের ভূমিকা

নতুন ব্যবস্থার আওতায় পরিবারগুলোকে নিরাপদ ডিজিটাল ব্যবহার, স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ এবং অনলাইন ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে বিভিন্ন নির্দেশনা ও সহায়ক উপকরণ দেওয়া হবে।

একই সঙ্গে স্কুলগুলোতে ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানো হবে। শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও শিশুদের নিরাপদ অনলাইন আচরণ গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দেওয়া হবে।

কোন প্ল্যাটফর্মগুলো এর আওতায়

প্রাথমিকভাবে এই সিদ্ধান্ত নিম্নোক্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রযোজ্য হবে :

এক্স (সাবেক টুইটার) ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম স্ন্যাপচ্যাট টিকটক

Facebook Comments Box
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa