ঢাকা
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

হবিগঞ্জে ৯২ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ আবাদ ৯২ শতাংশ

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৩৬ বার পঠিত
হবিগঞ্জে ৯২ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ আবাদ ৯২ শতাংশ

হবিগঞ্জ জেলায় চলতি রোপণ মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি কম হলেও পরবর্তীতে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও অনুকূল আবহাওয়ায় হবিগঞ্জে রোপা আমনের অধিক ফলনের আশা করছেন কৃষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সময়মতো বৃষ্টিপাত ও হাওর থেকে পানি নেমে যাওয়ায় এবার ভালো ফলনের আশা করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে কৃষকের মুখে হাসি ফুটবে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি বিভাগ। হবিগঞ্জ কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ৯২ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে চুনারুঘাট উপজেলায় সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ২৮৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় ১০ হাজার ৪১০ হেক্টর, শায়েস্তাগঞ্জে ৩ হাজার ৯০ হেক্টর, মাধবপুরে ১২ হাজার ২৬০ হেক্টর, বাহুবলে ১০ হাজার ২৭০ হেক্টর, নবীগঞ্জে ১৩ হাজার ৪০৫ হেক্টর, লাখাইয়ে ৬ হাজার ৯৫০ হেক্টর, বানিয়াচংয়ে ৯ হাজার ৬৮৫ হেক্টর এবং আজমিরীগঞ্জে ৭ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯২ শতাংশ জমিতে রোপা আমনের আবাদ হয়েছে।
কয়েক দিনের মধ্যেই শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা রোপা আমন চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ছোট বহুলা গ্রামের কৃষক শিষ আলী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত রোপা আমন চাষে সারের কোনো ধরনের সংকট দেখা যায়নি। আমরা কৃষক মানুষ। বিভিন্ন সময়ে ফসল ফলানোই আমাদের কাজ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আশা করি ভালো ফলন হবে।’ তিনি আরও বলেন, প্রতি মণ ধান আরও ভালো দামে বিক্রি করতে পারলে কৃষকরা উপকৃত হবেন। এ জন্য সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। একই গ্রামের কৃষক মজনু মিয়া বলেন, ধানের দাম কম হওয়ায় বর্তমানে কৃষকরা তেমন লাভবান হচ্ছেন না। বাপ-দাদার আমল থেকে কৃষিকাজ করে আসায় এবং অন্য কোনো উপায় না থাকায় বাধ্য হয়েই অনেকে কৃষিকাজ করছেন। তিনি বলেন, সার ও ডিজেলে সরকার থেকে আরও বেশি ভর্তুকি দিলে কৃষকরা উপকৃত হতেন।’ এখন পর্যন্ত তার এলাকায় সার ও ডিজেলের কোনো সংকট নেই বলেও জানান তিনি। সমসু মিয়া নামের কৃষক বলেন, ‘প্রাকৃতিক কোনো বন্যা না হলে আশা করি রোপা আমনের ভালো ফলন হবে।
এখানকার মাটি খুবই উর্বর হওয়ায় প্রতিবছর দুটি ফসল উৎপাদন করা যায়।’ হবিগঞ্জ কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, সময়মত বৃষ্টিপাত ও হাওর থেকে পানি নেমে যাওয়ার কারণে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করি কৃষকদের সহযোগিতা করতে। এছাড়া এ বছর রোপা আমনের সময়ে কোন ধরনের সার সংকট নেই। তিনি বলেন, গতবছর আমাদের প্রায় ৮৮ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আবাদ করা হয়েছিল। এ বছর আবাদের পরিমাণ আরো বাড়ছে তিনি বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ বীজতলা রয়েছে। কোন ধরনের বীজের সমস্যা হবে না। আমাদের হবিগঞ্জে কিছু এলাকায় সাময়িক বন্যা হয়ে কিছু রোপা আমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তবে সে সব এলাকায়ও এখন কোন ধরনের বীজের সমস্যা হবে না। সব মিলিয়ে আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।
Facebook Comments Box
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa