
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে দেশে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সোমবার দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।
এদিকে জ্বালানি তেলের বাড়ানো দাম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সোমবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বর্তমানে নিম্নমুখী। এর মধ্যে দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। পাশাপাশি জ্বালানি সংকটে বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধ হওয়ায় বেকারত্বও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জনজীবনে আরও চাপ তৈরি করবে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সোমবার থেকে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা, পেট্রল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকা হয়েছে।
নতুন এই দাম কার্যকর হওয়ার পর দেশে জ্বালানি তেলের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।