ঢাকা
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

বর্ণাঢ্য আয়োজনে রুয়েটে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬ উদযাপিত

ডা: মো: হাফিজুর রহমান (পান্না), রাজশাহী ব্যুরো

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৬৬ বার পঠিত
বর্ণাঢ্য আয়োজনে রুয়েটে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬ উদযাপিত

 দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) উদযাপিত হয়েছে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬’।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অতিথিদের অংশগ্রহণে কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
এসময় তিনটি পায়রা অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে দিবসটি বরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।
এরপর রুয়েট প্রাঙ্গণে শহীদ শিক্ষার্থীদের স্মরণে দোয়া এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এতে দেশ ও সমাজের প্রয়োজনে অবদান রাখা শহীদদের স্মরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা তুলে ধরে রুয়েট।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় গবেষণা পোস্টার ও স্টার্টআপ মডিউল প্রদর্শনী পর্যবেক্ষণ করেন অতিথিবৃন্দ।
এতে শিক্ষার্থীরা তাদের বিভিন্ন গবেষণা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ তুলে ধরেন।
শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবন চর্চায় গুরুত্বারোপ করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
এছাড়াও রক্তদাতা সংগঠন ‘নিরব’ এর উদ্যোগে ক্যাম্পেইনে বিনামূল্যে রক্ত ও চক্ষু পরীক্ষা সেবা প্রদান করা হয়।সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়।

শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানের শেষে ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান, সভাপতিত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ ।
আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
এসময় রুয়েটের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রা নিয়ে তুলে ধরেন অতিথিরা।
একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অর্জন, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি খাতে রুয়েটের ভূমিকা আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন,“রুয়েটের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে  উপস্থিত হতে পেরে আমি গর্বিত ও আনন্দিত।
১৯৬৪ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরুর পর রুয়েট শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে।
শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আমরা আশাবাদী।
গবেষণার লক্ষ্য শুধু পাবলিকেশন বা সাইটেশন নয়; বাস্তব সমস্যার সমাধান ও মানুষের কল্যাণে তা হতে হবে।
উদ্ভাবনকে বাস্তবে প্রয়োগের সুযোগ তৈরি করা ইউজিসির অন্যতম দায়িত্ব।
গবেষণাকে এগিয়ে নিতে ‘রিসার্চ রেভল্যুশন’ এর মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তাই হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
একই সঙ্গে আমাদের নৈতিকতা ও সামাজিক বন্ধনকে গুরুত্ব দিয়ে মেধা ও প্রযুক্তিকে মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করতে হবে।
শুধু সার্টিফিকেট নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধসম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলাই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য।”
সভাপতির বক্তব্যে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আবদুর রাজ্জাক বলেন,“আজ রুয়েটের ৬২ বছরের গৌরবময় পথচলায় পদার্পণ করেছে।
দীর্ঘ পথচলায় রুয়েটের শিক্ষা, গবেষণা ও উন্নয়নে অংশগ্রহণকারী সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।
বিশেষ করে মহীয়সী নারী বেগম খালেদা জিয়া, যাঁর সময়ে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয় রুয়েট।
সরকার গবেষণা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দের উদ্যোগ নিয়েছে এবং আগামী বছরে আরও বাড়বে প্রত্যাশা করছি।
রুয়েটসহ দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর গবেষণা ও উদ্ভাবনে ইউজিসি সবসময় পাশে থাকবে প্রত্যাশা করছি। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাবেক শিক্ষার্থী—সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই রুয়েট পরিবার এগিয়ে যাচ্ছে।
আগামী দিনেও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এ প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যেতে আমরা কাজ করে যাব।”
Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa