ঢাকা
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

মাধবপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট, চরমে ব্যাহত পাঠদান

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৩৩ বার পঠিত
মাধবপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট, চরমে ব্যাহত পাঠদান

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের রামেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটে চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম।
বিদ্যালয়টিতে শিশুশ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২২৯ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র দুজন শিক্ষক।
এর মধ্যে একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং অন্যজন সহকারী শিক্ষক।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুই শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক স্বল্পতার কারণে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে শিক্ষকদের।
বিদ্যালয়ের শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—শিশু শ্রেণিতে ৪৪ জন, প্রথম শ্রেণিতে ৩৯ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৪০ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৩৭ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ৩৮ জন এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ৩১ জন।
সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২২৯ জন।
সম্প্রতি বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে যান মাধবপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জাকিরুল হাসান।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট ও পাঠদানের চিত্র দেখে তিনি ডেপুটেশনে দুইজন শিক্ষক দেওয়ার কথা জানান।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মহিতোষ চন্দ্র সূত্রধর জানান, ছাতিয়াইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে একজন এবং পয়লাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে আরও একজন শিক্ষককে ডেপুটেশনে দেওয়ার কথা তিনি জানতে পেরেছেন।
তবে এখন পর্যন্ত ওই দুই শিক্ষক বিদ্যালয়ে যোগদান করেননি।
তিনি বলেন ডেপুটেশনে দেওয়া শিক্ষকেরা কবে যোগদান করবেন, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।
তারা আদৌ কবে যোগদান করবেন, সেটিও বলা যাচ্ছে না।
দুইজন শিক্ষক দিয়ে ২২৯ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান চালিয়ে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয়ে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু থাকায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও তুলনামূলকভাবে বেশি।
ফলে শিক্ষক সংকটের কারণে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের যথাযথ পাঠদান নিশ্চিত করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয় এডহক কমিটির সভাপতি ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কবির হোসেন বলেন, ডেপুটেশনে দেওয়া দুই শিক্ষক শিগগিরই বিদ্যালয়ে যোগদান করবেন।
তারা যোগদান করলে আর শিক্ষক সংকট থাকবে না।
স্থানীয়দের মতে, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য দ্রুত পর্যাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করা না হলে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাই ডেপুটেশনে দেওয়া শিক্ষকদের দ্রুত যোগদানের পাশাপাশি স্থায়ীভাবে প্রয়োজনীয়সংখ্যক শিক্ষক পদায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।
Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa