ঢাকা
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

দলীয় বিবেচনায় কাউকে কার্ড দেওয়া হবে না

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬   ১৫৫ বার পঠিত
দলীয় বিবেচনায় কাউকে কার্ড দেওয়া হবে না

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দলীয় বিবেচনায় কাউকে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে না। প্রান্তিক ২ কোটি ২৭ লাখ টার্গেট ধরে কার্ড দেওয়া হবে। সবাই পর্যায়ক্রমে পাবেন।

রোববার সকালে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সসম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কৃষি খাতকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কৃষককেন্দ্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে এই উদ্যোগ কৃষকদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রত্যেক কৃষকের জন্য একটি সর্বজনীন ডিজিটাল ইউনিক পরিচয়পত্র হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা ব্যাংকিং সুবিধাসহ বিভিন্ন কৃষিসেবা সহজে নিতে পারবেন। ইতোমধ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কৃষকের নামে ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে এবং কার্ড বিতরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ১১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক ২০ হাজার ৬৭১ জন (৯৩.৭%); মাঝারি কৃষক ১ হাজার ৩০৩ জন; বড় কৃষক ৯১ জন। আর্থিক সহায়তা ও সুবিধা প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের প্রতি বছর ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

এছাড়া কৃষক কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া যাবে ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ।

Facebook Comments Box
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa