ঢাকা
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

এত বড় আয়োজন, তবু গ্র্যাজুয়েটদের জন্য ছিলো না খাবার!

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২০   ২৯০ বার পঠিত
এত বড় আয়োজন, তবু গ্র্যাজুয়েটদের জন্য ছিলো না খাবার!

দীর্ঘ এক যুগ পর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সমাবর্তনে গ্র্যাজুয়েটদের জন্য কোন খাবার আয়োজন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যার ফলে পুরো দিন খাবার না খেয়েই সমাবর্তন পার করেছে গ্র্যাজুয়েটরা। এ বিষয়ে অনেক গ্র্যাজুয়েটকে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের ২০০১-০২ সেশনের শিক্ষার্থী এ.বি সিদ্দিকী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ধরনের আচরণ খুবই হতাশাজনক। এতো বড় একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করলো, অথচ কোন ধরনের খাবারের ব্যবস্থা করেনি। কিন্তু ২০০৭ সালের সমাবর্তনে খাবারের আয়োজন করা হয়েছিলো। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষার্থী ও গ্র‍্যাজুয়েট হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাজনক।

একই বিভাগের একই সেশনের শিক্ষার্থী কার্তিক চন্দ্র ঘোষ বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের রেজিস্ট্রেশন ফির চেয়ে এখানে অনেক বেশি ফি নেয়া হয়েছে। তারপরও কোন ধরনের খাবার পরিবেশন করেনি। এছাড়া অন্যান্য উপহার সামগ্রীও খুবই নিম্নমানের।

ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ২০০৭-০৮ সেশনের শিক্ষার্থী কাজী রাকিন বলেন, দীর্ঘদিন পরে সমাবর্তন হওয়ায় আমি আনন্দিত। কিন্তু সমাবর্তনটি আরও পূর্ণতা পেত যদি শিক্ষার্থীদের খাবার দেওয়া হত এবং গিফটগুলো আরও উন্নত হত। খাবার না দেওয়ায় বিষয়টা দৃষ্টিকটু মনে হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার মো. ইশফাকুল হোসেন বলেন, এত বিশাল পরিমান গ্র্যাজুয়েটদের হাতে নিরাপদ খাদ্য তুলে দেওয়া আমাদের পক্ষে সহজ ছিলো না।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে শিক্ষাকার্যক্রম শুরু হওয়ার পর দীর্ঘ ২৮ বছরে মাত্র দুটি সমাবর্তন পেয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ১৯৯৮ সালের ২৯ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন এবং এর ৯ বছর পর ২০০৭ সালের ৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।

Facebook Comments Box
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa