
জুলাই মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব আইসক্রিম দিবস। আইসক্রিমপ্রেমীদের কাছে দিনটি বিশেষ আনন্দের। ১৯৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান জুলাই মাসকে ‘জাতীয় আইসক্রিম মাস’ এবং জুলাইয়ের তৃতীয় রোববারকে ‘জাতীয় আইসক্রিম দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন। এরপর ধীরে ধীরে দিনটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পায়।
আইসক্রিম শুধু একটি জনপ্রিয় মিষ্টান্ন নয়, এটি স্মৃতি, আনন্দ ও উদযাপনেরও প্রতীক। শৈশবের পরিচিত ভ্যানিলা থেকে শুরু করে আধুনিক সময়ের নানা অভিনব ফ্লেভার—সব বয়সী মানুষের কাছেই আইসক্রিম সমান প্রিয়।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে মাথাপিছু বছরে গড়ে ২৩ গ্যালন আইসক্রিম খাওয়া হয়, যা দেশটিকে বিশ্বের অন্যতম বড় আইসক্রিম ভোক্তা হিসেবে পরিচিত করেছে।
বিশ্ব আইসক্রিম দিবস উদযাপনে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের নিয়ে আইসক্রিম খাওয়া, নতুন কোনো ফ্লেভার চেখে দেখা, ঘরে তৈরি আইসক্রিম বানানো কিংবা ছোট্ট আইসক্রিম পার্টির আয়োজন করা যেতে পারে। এছাড়া আইসক্রিম দিয়ে মিল্কশেক বা আইসক্রিম স্যান্ডউইচ তৈরি করেও দিনটিকে আরও আনন্দময় করে তোলা সম্ভব।
বিশেষ এই দিনটি মনে করিয়ে দেয়, জীবনের ছোট ছোট আনন্দই অনেক সময় সবচেয়ে বড় সুখের উৎস। তাই প্রিয়জনদের সঙ্গে এক স্কুপ আইসক্রিমে উদযাপন হোক বিশ্ব আইসক্রিম দিবস।