ঢাকা
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসনকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯   ৩৪৯ বার পঠিত
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসনকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন

স্টাফ রিপোর্টার
যুক্তরাজ্যের জাতীয় নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির বিজয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার েেত্র তার ব্যক্তিগত হস্তপে কামনা করেছেন।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে পাঠানো এক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ বিজয় দলটির নেতৃত্বের প্রতি যুক্তরাজ্যের জনগণের ব্যাপক আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। এ বিজয় ঢাকা-লন্ডনের বিদ্যমান সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের বিচার নিশ্চিত করতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত হস্তেেপর কামনা করছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বের সহায়তায় রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো মিয়ানমারের বর্বরতার জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব। আর এটা সম্ভব হলেই রোহিঙ্গারা পূর্ণ অধিকার, সম্মান, নিরাপত্তা ও টেকসই পরিবেশে তাদের নিজ ভূমিতে ফিরে যেতে পারবে।
এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জনসনের বাংলাদেশ সফর ও রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের কথা তুলে ধরেন।
শেখ হাসিনা ২০২০ সালে বাংলাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বরিস জনসনকে আন্তরিকভাবে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানান।
বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়লাভ করেন। তার দল কনজারভেটিভ পার্টি হাউস অব কমন্সসের ৬৫০ আসনের মধ্যে ৩৫৬ আসন লাভ করে। আশির দশকে মার্গারেট থ্যাচারের পরে এটি বৃহৎ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa