
চুনারুঘাট উপজেলার লস্করপুর ভ্যালিতে চা উৎপাদন এ বছর রেকর্ড ছাড়িয়ে গেলেও এখানকার চা শ্রমিকদের মজুরিসহ বাড়েনি কোনো সুযোগ-সুবিধা। শ্রমিকরা যা মজুরি পাচ্ছেন তা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়াসহ অন্যান্য খরচ মেটানো কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। এ ভ্যালিতে বর্তমানে ১৮ হাজার চা শ্রমিক কাজ করছেন।
চা শ্রকিদের অক্লান্ত পরিশ্রমে লস্করপুর ভ্যালির ১৭টি চা বাগানে ২০১৯ সালে ১ কোটি ৩২ লাখ ৩৩ হাজার ৫০৫ কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেশি। কিন্তু তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হচ্ছে না। বর্তমানে চা শ্রমিকরা দৈনিক মজুরি পাচ্ছেন মাত্র ১০২ টাকা আর সপ্তাহ শেষে ৩ কেজি আটা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ মজুরি অপর্যাপ্ত বলে মনে করেন চা শ্রমিকরা।
১৯৫৭-৫৮ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। ওই সময় তাঁর উদ্যোগে চা শ্রমিকদের ভোটাধিকার এবং শ্রমিক কল্যাণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিসহ দেশের চাশিল্পের ব্যাপক উন্নয়ন হয়। কিন্তু পরবর্তীতে চা শ্রমিকদের নিয়ে তেমন কেউ ভাবেননি বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ চা শ্রমিক মহাসংগ্রাম কমিটির সেক্রেটারি স্বপন সাওতাল। তিনি বলেন, চা শ্রমিকরা যাতে বঞ্চিত না হয় সেদিকে সরকারকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।
