
রাজশাহীতে পাঁচ ঘণ্টায় ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এটি মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত বলছে রাজশাহী আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অফিস বলছে- বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টম্বর) রাতে ১১ টা ১০ মিনিটে রাজশাহীতে বৃষ্টিপাত শুররু হয়।
একটানা এই বৃষ্টিপাত শেষ হয় পরদিন বুধবার (২ সেপ্টম্বর) সকাল ছয়টায়।
এই বৃষ্টিপাতের ফলে রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলবন্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
এরফলে নগরবাসীকে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিশেষ করে মহানগরীর উপশহর নিউ মার্কেট এলাকা, স্যাটালাইট টাউন স্কুলের সামনের সড়ক, তেরাখাদিয়া স্টেডিয়ামের পূর্বের সড়কে, নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ের আশে পাশের সড়ক ছাড়াও রাজশাহী মেডিকেল কলেজের প্রধান ফটকে বৃষ্টির পানি জমে যায়।
এই বৃষ্টিপাতের পানির মধ্যে দিয়ে চলাচলে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
এছাড়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ থাকায় ঝুকি বাড়ছে দুর্ঘটনারও।
বিভিন্ন দোকান ও বাসা বাড়িতে পানি ঢুকে গেছে।
কলেজ শিক্ষার্থী আফরিণ আক্তার (আয়েশা) বলেন- আমাদের উপশহরের প্রায় সব সড়কে পানি জমে গেছে।
কোন কোন বাড়িতেও ঢুকে গেছে পানি।
ফলে ড্রেনের পানি আর বৃষ্টিপানি মিলেমিসে একাকার।
ছড়াচ্ছে দূর্গন্ধও।
ড্রেনগুলো ভালো করে পরিস্কার করলে জলবন্ধতা বৃষ্টি হতো না।
নগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে কথা হয় আরমানের সঙ্গে।
তিনি বলেন- ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে।
সাহেব বাজার, লক্ষ্মীপুর এলাকার সড়কগুলোতে পানি জমে গেছে।
রিকশা নিয়েও চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।
কারণে মানুষ বিভিন্ন সময় প্রয়োজনে সড়ক কেটে গ্যাস বা পানির লাইন নিয়েছেন।
সেই গর্তগুলো রয়েগেছে।
সেগুলোতে রিকশার চাকা পড়লে ঝুকুনি লাগছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন বলেন- সারারাত ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে।
কোন জায়গায় পানি জমে থাকলে নিষ্কাশনে আমাদের কর্মীরা কাজ করছে।
চলতি মৌসুমে শহরের বড় বড় ড্রেনগুলো পরিস্কার করা হয়েছে।
আশা করা হচ্ছে আগামী এক ঘণ্টার মধ্যে পানি নেমে যাবে।
অপরদিকে, রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ রহিদুল ইসলাম বলেন- চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হলো।
রাজশাহীতে ৯৭ মিলিমিটার যে বৃষ্টিপাত হয়েছে সেটি অতি ভারি বৃষ্টিপাত।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
রাজশাহীতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
