ঢাকা
২৭ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

মাধবপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬   ২৯ বার পঠিত
মাধবপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি ও নানাবিধ অনিয়ম-দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
এসব অনিয়মের প্রতিকার ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিভাবকেরা।
এর আগে প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
দায়ের করা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে পরীক্ষার ফি, শিক্ষার্থীদের বেতনের টাকা আত্মসাৎ, এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়, প্রশংসাপত্র বাবদ আদায়কৃত অর্থ প্রতিষ্ঠানে জমা না দেওয়া এবং ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে প্রাতিষ্ঠানিক তহবিল তছরুপের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয় ২০২৬ সালের অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফি এবং শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরিশোধের জন্য যথাসময়ে প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের কাছে নগদ অর্থ জমা দেওয়া হয়।
তবে পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের আইডি অনলাইনে যাচাই করে দেখা যায়, ফি ও বেতন বকেয়া হিসেবে প্রদর্শিত হচ্ছে।
এ ছাড়া ২০১৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ বাবদ শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থ বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে প্রধান শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করেছেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৪ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১২বছরে শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্র (টেস্টিমোনিয়াল) প্রদান বাবদ আড়াই লাখ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা আদায় করা হলেও তা প্রতিষ্ঠানের তহবিলে জমা করা হয়নি।
পাশাপাশি বিভিন্ন ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য, ইতিপূর্বে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে এসবের কোনো সত্যতা পায়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাধবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa