
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র পারকি সমুদ্র সৈকতে সরকারি খাস জমি দখল মুক্ত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সৈকতের ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত জায়গা দখল করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনা দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পারকি সৈকত এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ নির্দেশনা দেন আনোয়ারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু জাফর মজুমদার।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন পারকি সৈকতে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো পর্যটক ঘুরতে আসেন। পর্যটকদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র সরকারি খাস জমি দখল করে অবৈধ দোকানপাট ও নানা ধরনের স্থাপনা গড়ে তুলছিল। বিষয়টি নজরে আসার পরই মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানকালে অবৈধ দখলদারদের সতর্ক করে সব ধরণের স্থাপনা নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে মোটরসাইকেল নিয়ে বালিয়াড়িতে প্রবেশ করায় দুই আরোহীকে ৫০০ টাকা করে মোট ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু জাফর মজুমদার জানান, “পারকি একটি অন্যতম প্রধান পর্যটন এলাকা। পর্যটকদের সুবিধা দেওয়ার অজুহাতে একটি চক্র সরকারি খাস জায়গা অবৈধভাবে দখল করছে। আমরা তাদের প্রাথমিক সতর্কতা দিয়ে নিজ দায়িত্বে স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলেছি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরিয়ে না নিলে আইনানুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।”
তিনি আরও জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদার, সৈকতের শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
