
মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সদ্যবিদায়ী তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শনিবার বিকেলে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বিএনপি সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় প্রথম দফা রদবদল ও সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে স্বপনকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা করা হলো।
শুক্রবার মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়ান।
এর আগে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন, স্বপনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা করা হবে।
একদিন পরই তার নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি হলো।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে স্বপনের উত্তরসূরি হিসেবে শুক্রবার শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ।
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে জহির উদ্দিন স্বপন ছাড়াও দায়িত্বে রয়েছেন মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী।
বরিশালের গৌরনদীর বাসিন্দা জহির উদ্দিন স্বপন বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন।
নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
১৯৯৩ সালে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে দ্রুত দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের একজন হয়ে ওঠেন।
দলীয় রাজনীতিতে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক এবং সহ-দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
বিএনপি মিডিয়া সেলের প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক স্বপন বর্তমানে দলটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য।
নির্বাচনী রাজনীতিতে ১৯৯৫ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
ওই নির্বাচনের পর গঠিত সরকার অবশ্য মাত্র ১২ দিন টিকে ছিল।
পরে একই আসন থেকে ২০০১ ও ২০০৬ সালেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জহির উদ্দিন স্বপন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করা স্বপন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়।
