গোলের বন্যায় বুরকিনা ফাসোকে ভাসিয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনা। আন্তর্জাতিক বিরতির প্রীতি ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে প্রতিপক্ষকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে প্রথমবার খেলতে নেমেই গোল উৎসবে মেতে ওঠে লিওনেল স্কালোনির দল। এই জয়ে স্কালোনির অধীনে নিজেদের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছে আর্জেন্টিনা। ২০২৩ সালে কুরাসাওয়ের বিপক্ষেও ৭-০ ব্যবধানে জিতেছিল তারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। বক্সের মধ্যে আগুস্তিন গিয়াইকে ফাউল করেন বুরকিনা ফাসোর মৌমুনি দিয়ালো। পেনাল্টি থেকে লাওতারো মার্তিনেসের প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক রাজাক গুইরা। তবে ফিরতি বল পেয়ে জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন এই ফরোয়ার্ড। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল পেলেন তিনি।
এরপর নিজেদের ভুলেই আরও এক গোল হজম করে বুরকিনা ফাসো। দিয়ালোর ক্লিয়ার করার চেষ্টা থেকে বল চলে যায় নিজেদের জালে। ম্যাচের প্রথম আট মিনিটেই দুটি ভুলে দুঃস্বপ্নের শুরু হয় এই ডিফেন্ডারের।
১২ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করেন জিয়ালুকা প্রেস্টিয়ানি। বক্সে ঢুকে শক্তিশালী শটে আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের প্রথম গোল করেন এই তরুণ।
প্রথমার্ধেই আরও দুটি গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় আর্জেন্টিনা। চতুর্থ গোলটি করেন নিকো পাজ। এরপর হুলিয়ান আলভারেস করেন পঞ্চম গোল। দীর্ঘ সময় পর জাতীয় দলের হয়ে আবারও গোলের দেখা পান এই ফরোয়ার্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের প্রথম গোল করেন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো। গোলরক্ষকের সঙ্গে একের বিপরীতে এক অবস্থায় দারুণভাবে সুযোগ কাজে লাগান তিনি।
ম্যাচের শেষ দিকে ভালেন্তিন বার্কোর ক্রস থেকে বল পেয়ে সপ্তম গোলটি করেন জুলিয়ানো সিমিওনে। তাতেই পূর্ণতা পায় আর্জেন্টিনার গোল উৎসব।
শেষ পর্যন্ত ৭-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিওনেল মেসির দল। দাপুটে এই জয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের শক্তির আরও একবার জানান দিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

মন্তব্য করুন