
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর শিলখুড়ি ইউনিয়নে গত রোববার দুপুরে মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের গুদামের বেড়া ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
এবং বিসিআইসির সার ডিলার মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজকে শোকজ প্রদান করা হয়েছে।
অপরদিকে, এ ঘটনায় মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী তাইফুর রহমান মুকুল বাদি হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
তদন্ত কমিটির সভাপতি সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার’কে তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সবুজ কুমার গুপ্ত ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সাইফুর রহমান।
এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেবনাথ জানান, সোমবার দুপুর পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ কৃষকদের নিয়ে যাওয়া সারের মধ্য থেকে ১১৫ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে।
আশা করছি সোমবারের মধ্যে আরো ২০ থেকে ২৫ বস্তা সার উদ্ধার করা যাবে। সার ডিলারকে কৃষি অফিস থেকে শোকজ (কারণ দর্শানো নোটিশ) করা হয়েছে।
গত রোববার সার নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে রাতেই পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিকে সোমবারের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজিম উদ্দিন জানান, মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী তাইফুর রহমান মুকুল বাদি হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির সভাপতি সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক বলেন, ঘটনা স্থল পরিদর্শনে আছি।
প্রত্যক্ষদর্শী, ডিলার ও কৃষকদের সাথে কথা বলে সার নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের পরে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
