ঢাকা
২৩ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

রাজাপুরে খাল দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের ভাঙার নির্দেশ

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬   ১৫০ বার পঠিত
রাজাপুরে খাল দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের ভাঙার নির্দেশ

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের কাঁচারিবাড়ী বাজার এলাকায় সরকারি খাল দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আব্দুল খালেক হাওলাদারের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাজারসংলগ্ন খালের ভেতরে রড দিয়ে পিলার নির্মাণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্মাণ কাজের প্রস্তুতি চলছে। সেখানে কয়েকজন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা যায়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাঁচারিবাড়ী বাজারে এর আগেও একাধিক ব্যক্তি খালের জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণ করে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তাদের দেখাদেখি আব্দুল খালেক হাওলাদারও খালের জমি দখল করে ভবন নির্মাণ শুরু করেছেন। এতে করে খাল ভরাট হয়ে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে কৃষি জমিতে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে কৃষকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

অভিযোগ রয়েছে, আব্দুল খালেকের মেয়ে জামাই বিএনপি নেতা মাস্টার জাহিদুল ইসলাম এবং বাজার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যোগসাজশে এই দখল ও নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে বাজার কমিটির সেক্রেটারি মো. লিটন হাওলাদার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আগে থেকেই অনেকেই খালের পাড় ঘেঁষে দোকান নির্মাণ করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় খালেকও কাজ করছেন। এতে খাল দখলের বিষয়টি আমি মনে করি না।”

এ বিষয়ে আব্দুল খালেক হাওলাদার বলেন, “নির্মাণাধীন ভবনটি আমার নিজস্ব জমিতে হলেও কিছু অংশ খালের মধ্যে পড়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসে দেখে গেছেন। প্রয়োজনে আমার জামাই কথা বলবেন, দরকার হলে এমপির সঙ্গেও কথা বলা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যদি এটি সরকারি খালের জমি প্রমাণিত হয় এবং ইউএনও ভেঙে ফেলতে বলেন, তাহলে তা ভেঙে ফেলা হবে।” তবে ইউএনও নির্দেশ দেওয়ার পরও কেন কাজ বন্ধ করা হয়নি—এ প্রশ্নে তিনি সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি বলেন, “খাল দখল করে ভবন নির্মাণ করা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্মিত পিলার ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে খাল দখলমুক্ত করা না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের পরিবেশগত ও কৃষি সংকট তৈরি হতে পারে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa