
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়নপ্রাপ্ত বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন খানজাহান আলী (রহ.) মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে তার নির্বাচনী কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছেন।
রবিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে তিনি ঐতিহাসিক খানজাহান আলী (রহ.) মাজারে জিয়ারত ও দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফকির তারিকুল ইসলামসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
জিয়ারত শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, “খানজাহান আলী (রহ.) ছিলেন ন্যায়বিচার, মানবতা ও ইসলামী মূল্যবোধের প্রতীক। তার আদর্শকে ধারণ করেই আমি জনগণের সেবা করতে চাই। আল্লাহর উপর ভরসা করে আজ থেকে আমার নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করলাম।”
তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাট-২ আসনের মানুষ নানা ক্ষেত্রে অবহেলার শিকার। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও যুবসমাজের উন্নয়নে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করা হবে। দলীয় মতভেদ ভুলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ বাগেরহাট গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”
এ সময় তিনি দলের সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই নির্বাচন শুধু একটি দলের নয়, এটি জনগণের অধিকার ও ন্যায়ের পক্ষে একটি লড়াই।”
উল্লেখ্য, বাগেরহাট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন মনোনয়ন লাভ করেছেন। একই আসনে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ।
অন্যদিকে, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালামকে দলীয় মনোনয়ন না দেওয়ায় তার সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় তারা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বলে জানা গেছে।
এ ছাড়া সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা বাগেরহাট-১ আসনে কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল এবং বাগেরহাট-৪ আসনে সোমনাথ দেকে বিএনপি’র পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
