
সুবিধা বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায় ও সংরক্ষনে ঐতিহাসিক প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। উপমহাদেশের একটি রক্তজমাট বাঁধা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল পরিচয় বহন করে স্থান দখল করে আছে এ সংগঠনটি গনমানুষের হৃদয়ের মনিকোঠায়। প্রকৃতির লীলা খেলায় এ প্রতিষ্ঠিানে তৈরি হয় বঙ্গবন্ধুর রক্তের আদর্শের শত লক্ষ আদর্শবান পরিচ্ছন্ন নেতা কর্মীর। জাতির জনকের রেখে যাওয়া বৃহত্তম এ দলের আদর্শ,চেতনা, স্বপ্ন লালন পালন আর বুকে ধারন করেই জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহিদ এম মনসুর আলীর জম্মভূমি এ কাজিপুর তার সুযোগ্য পুত্র প্রয়াত জননেতা মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিম এর আদর্শকে ধারণ করে স্থানীয় সাংসদ প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়ের নির্দেশিত পথ অনুসরণ করে সকল লোভ লালসার উর্ধে থেকে নিজ দলের সকল কর্মকান্ডের মধ্য জড়িয়ে থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করে চলেছেন প্রত্যন্ত গ্রামের মেঠো অঞ্চল থেকে তীলে তীলে গড়ে উঠা বলিষ্ঠ সংগঠক নতুন ডিজিটাল সমাজ গড়ে তোলার এক নির্ভেজাল, সময়ের প্রেক্ষাপটের প্রয়োজনে আত্মপ্রত্যয়ী মননশীল চিন্তা চেতনায় এগিয়ে থাকা মানুষ মুজিব আদর্শের সাহসী সৈনিক কাজিপুর উপজেলা আঃলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী।
তিনি কাজিপুর উপজেলার যমুনা নদী নদী বিধৌত ঐতিহ্যবাহী তেকানি ইউনিয়নের বুরুঙ্গি গ্রামের আগামীর সম্ভবনাময় কৃতি সন্তান খলিলুর রহমান সিরাজী। তার বাবা প্রয়াত মরহুম বন্দে আলী আকন্দ ছিলেন একজন আদর্শবান কৃষক।
পারিবারিক আদর্শ আর গুনধর বাবা-মায়ের নীতি নৈতিকতা আর সুন্দর সমাজ তৈরীর অনুপ্রেরণায় সৎ সাহস যুগিয়েছে তার রাজনীতির প্রতিটি পদক্ষেপ আর পথচলায়। তিনি সমাজসেবার পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকেন।
আওয়ামী লীগও পারিবারিক আদর্শ ধারন করে কট্টর ও পরিচ্ছন্ন হয়ে দলের প্রয়োজনে ছিলেন সক্রিয় এবং এখনো নীতি আর আদর্শে অবিচল রয়েছেন। তার পরিবারের সকল সদস্যরা একই অঙ্গনের ছায়াতলে থেকে রয়েছেন ইস্পাতের ন্যায় সক্রিয় । তার বড়ভাই শাহা আলম তেকানি ইউনিয়ন আঃলীগের সাবেক সহসভাপতি,আরেক ভাই মোজাম্মেল হক ১৯৭৩ সালে কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজ সংসদের ছাত্র লীগের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন,অন্য ভাই রেজাউল করিম সাবেক ছাত্র নেতা। পিতার পুরো পরিবার পারিবারিক ভাবেই অদ্যবধি জড়িয়ে আছেন স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পতাকাবাহী গনমানুষের এ দলে। আদর্শ পিতার উদীয়মান সন্তানের মধ্যে বি এ – পাশ করা শিক্ষিত সাদামাটা জীবন যাপন কারী নিরঅহংকার উদ্দোমী সুযোগ্য পুত্র খলিলুর রহমান সিরাজী। তিনি কাজিপুর উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন । এ পদে থেকে নিষ্ঠার সাথে জড়িয়ে আছেন সব সময় দলীয় কর্মকাণ্ডে । পাশাপাশি তিনি মানব কল্যাণের ব্রত নিয়ে পারিবারিক শিক্ষায় ছাত্রজীবনের শুরু থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে জড়িয়ে পড়েন মানবসেবায় যা অবিরাম ধারায় আছে অব্যাহত । তিনি ১৯৮৬ সালে কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে কলেজ শাখার ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।১৯৮৯ সালে কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজ ছাত্র লীগের ভিপি মনোনীত হয়েছিলেন।১৯৯১-৯৫ সালে কাজিপুর উপজেলা ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। উক্ত পদে থেকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দায়িত্বপালন করায় অদম্য সাহসিকতার কারণে প্রয়াত জননেতা মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিম এর নজরে আসে। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে কাজিপুর উপজেলা আঃলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৯৮ সালে উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ।উক্ত পদে থেকে অত্যন্ত দক্ষতাও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করার জন্য ২০১৩ সাল থেকে বর্তমান উপজেলা আঃলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। মানুষের প্রয়োজনে জনকল্যাণ, এলাকার উন্নয়নের পরিবর্তনের বিপ্লব এজেন্ডা কে সামনে নিয়ে অদম্য গতিতে গনমানুষের অতি কাছাকাছি পৌছে গেছেন তিনি। ১৯৮৫ সালে জামাত, বিএনপি ও জাতীয় পাটির দ্বারা তিনি নির্যাতিত হন।১৯৮৬,৮৭,২০০৬,২০০৮ সালে তিনি ১৭ টি মামলার আসামি হন। প্রয়াত জননেতা মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিম এর অবদানে এবং তার সুযোগ্যপুত্র প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় এমপি সহযোগিতায় উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি
এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমি রাজনৈতিক ও পারিবারিক ভাবে বঙ্গবন্ধু ও প্রয়াত জননেতা মরহুম আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিম এর আদর্শের সংগঠনের সব সময়ের জন্য একজন কর্মী। ছাত্র জীবন থেকে অদ্যবধি ওতপ্রোতভাবে এ দলের সাথে সব সময় সাংগঠনিকভাবে জড়িয়ে রয়েছি।
শৈশব থেকে আজ অবধি অনেক চড়াই উৎরাই গন্ডি পেরিয়ে আওয়ামী লীগের আদর্শ সর্বক্ষন লালন করে দলীয় নীতি আদর্শের প্রতি আস্থা রেখেই আমার উপজেলার সব শ্রেনী পেশার সাধারণ মানুষের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে। তিনি আরও বলেন উপজেলার নির্যাতিত সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা দিতে চাই, দিয়ে যাচ্ছি এবং যাবো। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি আস্থা রেখে আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক গনতান্ত্রিক ক্ষুধা দারিদ্র্য মুক্ত ও শোষনহীন সমাজ সুখী সম্মৃদ্ধ উন্নত আধুনিক সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্য, ঘোষণা পত্র ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দ্বিধাহীন চিত্তে নিজেকে আত্ব- নিয়োগ করতে সদা প্রস্তুত। উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখতে আমি উপজেলা কে ক্ষুধামুক্ত, অপরাধ মুক্ত, মাদক মুক্ত, বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা,উপজেলাবাসির মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করা,স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা মান উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা সর্বোপরি মানুষের জীবন মান উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প করে অত্র উপজেলা কে মডেল উপজেলা হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আমাদের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়কে উপহার দিতে চাই। সাদা মনের হাস্যজ্বল চেয়ারম্যান এলাকার কোন মানুষের বিপদের খবর কানে এলেই চিলের মতো ছুটে যান সেসব মানুষের বাড়িতে। আন্তরিকতার সহানুভূতি নিয়ে বাড়িয়ে দেন সহমর্মিতার সাহায্য আর সহযোগিতার প্রসারিত হাত। দুস্থ, গরীব, অসহায়দের প্রতিও তার সহযোগিতার কমতি নেই। ব্যক্তিগত ভাবে আপদে বিপদে দাঁড়িয়েছেন সমাজের এসব সুবিধা বঞ্চিত অভাব অনটনে নিমজ্জিত থাকা জনগোষ্ঠীর পাশে। মহামারি করোনা ভয়াবহ দূর্যোগ কালীন দীর্ঘ সময়ে রাতের অন্ধকারে বাড়ি বাড়ি অসহায় পরিবারের মাঝে খাবার পৌঁছে দিয়ে সাধ্য মতো করেছেন সহযোগিতা।গত সংসদ উপ নির্বাচনে নিজ উপজেলার বাইরে বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামের পর গ্রাম পাড়া মহল্লার সাধারণ জনগন সহ ভোটারদের সাথে দিন রাত মতবিনিময় উঠান বৈঠক সাংগঠনিক কর্মসুচীসহ গনসংযোগ করে আঃলীগের মনোনীত দলীয় প্রার্থী প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় মহোদয় কে বিজয়ী করেছেন। অন্যায় -অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী সদা জাগ্রত এ মানুষটি। যারা লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে নিজ প্রতিষ্ঠান কে গড়ে তোলেন জনবান্ধব,ইতিবাচক ও বিপদগ্রস্ত অসহায় মানুষের আশ্রয়স্থল তিনিই হলেন কাজিপুর উপজেলা আঃলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী।তার সৃজনশীলতা, কর্মদক্ষতা ও ইতিবাচক চিন্তা চেতনায় পরিবর্তন এসেছে কাজিপুর উপজেলা আঃলীগের সকল কর্মকান্ড এবং উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম সহ সার্বিক চিত্র। এলাকার অসহায় দুস্থ মানুষের চিকিৎসা সেবা থেকে শুরু করে কন্যাদায়গ্রস্ত পরিবারের প্রতি, মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা, এতিমখানা, সহ সর্বপুরি মানবসেবার মনোভাব নিয়ে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন অনবরত । তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এলাকার উন্নয়নে রাস্তাঘাট, ব্রীজকালভার্ট স্থাপন, নতুন ভাবে প্রয়োজন ভিত্তিক বিদ্যুতায়নের পরিকল্পনা, সুষ্ঠ ভাবে পানি নিঃক্সাশনের ব্যবস্থা গ্রহন, মাদকও জুয়া মুক্ত সমাজ পুনঃগঠনে সকলের সহযোগিতা, এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ গ্রহন, বসবাসের নিরব শান্তির এলাকা গঠনে প্রচেষ্টা, জঙ্গি ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদী পরিবেশ তৈরীর ব্যবস্হা, সহ বেকারত্ব দূরীকরণে বিকল্প ব্যবস্হা সৃষ্টি করে বেকার নারী পুরুষকে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরীর পথ সৃষ্টি করা সহ এ অঞ্চলের অভাবী বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের উপকারভোগীর আওতায় এনে বিশেষ প্রকল্প গ্রহনের মাধ্যমে ভাতা কার্ডের ব্যবস্হা করা নানা উন্নয়ন মুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে উপজেলা উন্নয়নে এনেছেন আমুল পরিবর্তন। আওয়ামী লীগের তৃনমুল জনপদের এ নেতা সুশম উন্নয়নেরক্ষেত্রে চর ও বি-র এলাকায় এনেছেন ভারসাম্য। প্রতিনিয়তই তিনি চরাঞ্চলের প্রতিটি ইউনিয়নে নিজে গিয়ে তাদের খোঁজ খবর নেন। দলের কঠিন সময়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দলীয় নেতা হিসেবে আওয়ামীলীগ ও তা সহযোগী সংগঠনের সাথে সমন্বয় সাধন করে যাচ্ছেন। দলীয় কর্মকান্ড অত্যন্ত সুনামের সাথে পালন করে যাচ্ছেন। আত্ব- প্রত্যয়ী মননশীল চিন্তা চেতনার দৃষ্টান্ত খলিলুর রহমান সিরাজী। সামাজিক বেশম্য দুরীকরণ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় ব্রত,সমাজ থেকে সমাজ থেকে অসংগতি দুরীকরণে ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় সাধন, নিয়মিত জনগণের সাথে যোগাযোগ স্থাপন, গ্রাম্য সালিসে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা,উপজেলা পরিষদের সকল কমিটির সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। টি আর কাবিখা সহ সকল প্রকল্পের যথাযথ ব্যবহার ও মনিটরিং, সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহারকরে উন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আমার উপজেলা কে একটা স্বচ্ছ জবাবদিহি মুলক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরিত করে একটি ডিজিটাল মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় জনসেবা পৌছে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাবো।
সর্বোপরি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার মধ্যমে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের সমন্বয়ে উপজেলা উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। ২০২০-২১ইং অর্থ বছরের সরকারের বরাদ্দকৃত পাওয়া টি আর,কাবিখা,চল্লিশ দিন ইত্যাদি কর্মসূচীসহ প্রতিটি কাজ সঠিক ও সুন্দর ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। মানুষের ভালবাসা ও চাহিদার প্রতিফলন হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তিনি একজন প্রতিভা সম্পন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।ছাত্র জীবন থেকেই বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড সংগঠনের সাথে জড়িত। একজন সুবক্তা হিসেবে ও তিনি সর্বমহলে সুপরিচিত।
এলাকায় তিনি একজন সাদা মনের উদার মানসিকতার ও দানশীল মানুষ হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন। এলাকার সাধারণ মানুষেরা জানান আমরা নেতা বা চেয়ারম্যান বুঝিনা। খলিল ভাই একজন ভাল মানুষ। তিনি একজন কর্মঠ ব্যক্তি।
আমাদের দু:খ দুর্দশায় তাঁকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়।ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদশের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী ও মেধাবী সমাজ সেবক এবং নেতা হিসাবে খলিলুর রহমান সিরাজী ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। নির্বাচনকালীন সময়ে সাধারণ জনগনকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে একজন সফল ও জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সবশ্রেনীর মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন উপজেলা জনপ্রিয় চেয়ারম্যান। এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এলাকার উন্নয়নে মহা- পরিকল্পনা গ্রহন করেছেন। গৃহিত পরিকল্পনার আলোকে তিনি একের পর এক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে তিনি উপজেলা উন্নয়ন করে যাচ্ছেন একাধারে। সামাজিক সচেতনতা এবং মানবিক সেবার অনন্য উদ্যোগ তাকে একজন মানবদরদী ও মহতী মানুষের উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে। তিনি এলাকার দরিদ্র জনগোষ্টির উন্নয়নে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন।
তিনি এ পর্যন্তবিভিন্ন ইউনিয়নের উন্নয়ন বিশেষ করে চর এলাকায় বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন,কালভাট,ব্রীজ স্কুল,মাদ্রাসা,কবরস্থান,মসজিদ ,ঈদগাঁমাঠ সংস্কার করেছেন, গরীব দু:খী মানুষের মাঝে বয়স্কভাতা,বিধবাভাতা সঠিকভাবে বিতরণ করতে সহায়তা করেছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করছেন।উপজেলা পরিষদে গ্রাম্য আদালত বসিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে যাচ্ছেন। এছাড়াও তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়মিত অফিস করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্বাবদানে প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজ অতি দক্ষতার সাথে সফলভাবে করেছেন যা এখনও চলমান আছে। সততা ও কর্মদক্ষতার সাথে উপজেলা বাসীকে সেবা দিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে কাজিপুর উপজেলা কে আধুনিক মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন এমনটাই প্রত্যাশা উপজেলা বাসীসহ সকলের।পাশাপাশি উপজেলা আঃলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে দলকে করেছেন অত্যন্ত সুসংগঠিত শক্তিশালী।আগামীদিনে আঃলীগ কে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
