
রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০ মন ভেজাল খেজুরের গুড় জব্দ করা হয়েছে। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাতজনকে। রোববার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বাঘা উপজেলার আড়ানী চকরপাড়া গ্রামের গোয়েন্দা পুলিশ এ অভিযান চালায়। সেখান থেকে ভেজাল গুড় তৈরীর বিভিন্ন উপকরণ সমগ্রী জব্দ করা হয়। সোমবার দুপুরে রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ সব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন জানান, ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। সেখান থেকে ৫০ মণ ভেজাল খেজুরের গুড়, ভেজাল গুড় তৈরির বিভিন্ন উপকরণসহ যাহার সর্বমোট মূল্য ৩,০৫,৬৬৫/- টাকা সামগ্রী জব্দ হয় । এসময় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ।
আটককৃতরা হলেন, কারখানার মালিক ১। মোঃ রকিব আলী (৪২), পিতা-মৃত আবুল হোসেন ও তার সহযোগী ২। মোঃ সুমন আলী (৪২), পিতা-মোঃ আকবর আলী, ৩। মোঃ অনিক আলী – পাইলট (৩০), পিতা-মৃত মাজদার রহমান, ৪। মোঃ মাসুদ রানা (৩০), পিতা-মোঃ মোসলেম, ৫। মোঃ বিপ্লব হোসেন – সাজু (২৫), পিতা-মোঃ আঃ হান্নান, ৬। মোঃ মামুন আলী (২৭), পিতা-মোঃ ওহাব আলী ও ৭। মোঃ বাবু (২৫), পিতা-মোঃ ওহাব আলী, সর্ব সাং-আড়ানী চকরপাড়া, থানা-বাঘা, জেলা-রাজশাহী।
পুলিশ সুপার বলেন, ২/৩ মাস যাবৎ তারা এই কারখানায় চিনি, চুন, হাইড্রোজ, ফিটকেরি, ডালডা ও বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরি করে আসছে। তারা এগুলো রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করে থাকে। গুড় তৈরির ক্ষেত্রে তারা যে সকল রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে সেগুলো মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ও জটিল রোগের সৃষ্টি করে। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বাঘা থানায় মামলা করা হয়েছে।
