
শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস, মজুরি বৃদ্ধি ও নিয়োগপত্র প্রদানের দাবিতে রাজশাহীতে ঢাকাগামী বাস বন্ধ করে আন্দোলন আপাতত স্থগিত করেছে শ্রমিকরা। সোমবার রাত সাড়ে নয়টা থেকে শুরু হয়েছে বাস চলাচল।
রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী দেশ ট্রাভেলস ও ন্যাশনাল ট্রাভেলসের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপাররা সোমবার থেকে রাজশাহী থেকে বাস নিয়ে ঢাকা অভিমুখে যাওয়া বন্ধ রেখেছিলেন। পরে অন্যান্য আন্তঃজেলা বাসগুলোর শ্রমিকরাও এতে সম্মতি জানিয়ে তাদের বাস চলাচল বন্ধ রেখেছিলেন।
ওই দুটি পরিবহনের চালক-হেলপাররা আরও জানান, সম্প্রতি মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ সব পরিবহন কোম্পানির মালিকপক্ষের সঙ্গে সভা করে। সেখানে নিয়োগপত্র, বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দাবি করা হয়। কিন্তু দেশ ও ন্যাশনাল ট্রাভেলসের মালিকপক্ষ তা মানেনি। এর প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে শ্রমিকরা কর্মবিরতি শুরু করেছেন। শ্রমিকদের দাবি তাদের দেয়া হতো ১২০০ শ টাকা, আর ঢাকার বাস মালিকরা দেয় ১৬০০ শ টাকা। এছাড়া নিয়োগ পত্র দিচ্ছে না দুই গাড়ির মালিকেরা।তারা তাদের ন্যায্য পাওনা দাবি করে আসছিল। কিন্তু মালিক পক্ষ তাতে কর্নপাত করেননি।তাই তারা বাধ্যহয়ে গাড়ি না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির রাজশাহী বিভাগীয় সভাপতি ও রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রæপের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাফকাত মঞ্জুর বিপ্লব বলেন, ‘ দু’টি বাসের শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন দাবিতে বাস চলাচল বন্ধ ছিল ; তবে কোন আশ্বাসে আবার তারা চালু করেছেন তা আমার জানা নাই। তবে আমি শুনেছি মালিক পক্ষ শ্রমিকদের দাবি দাওয়ার পক্ষে আশ্বাস দিয়ে সমাধান করেছেন।
