লিওনেল মেসির জাতীয় দলের জার্সিতে শেষ ম্যাচটি হয়ে থাকল স্মরণীয়। অধিনায়কের এক গোল ও এক অ্যাসিস্টের সুবাদে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে জয় দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের এই অধ্যায় শেষ করল আর্জেন্টিনা।
প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোল করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। মেসির কয়েকটি প্রচেষ্টা এবং জুলিয়ান আলভারেজের সুযোগও বেনিনের গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় আটকে যায়। ফলে বিরতিতে গোলশূন্য সমতায় ছিল দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অবশ্য ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ৪৮ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে নিকোলাস ওতামেন্দি গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন।
এরপর ৬১ মিনিটে নিকো পাজের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে বল জালে পাঠান পাজ। এই গোলেও অবদান ছিল মেসির, তার অ্যাসিস্ট থেকেই আসে দ্বিতীয় গোল।
৬৮ মিনিটে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। ৭১ মিনিটে স্পটকিক নিতে এগিয়ে এসে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোল করেন মেসি। জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের শেষ ম্যাচে গোল করেই বিদায় নেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
এরপর আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি মেসি ও তার সতীর্থরা। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।
বিদায়ী ম্যাচে মেসির পারফরম্যান্স, এক গোল ও একটি অ্যাসিস্ট। ম্যাচ শেষে স্টেডিয়ামে তৈরি হয় আবেগঘন পরিবেশ। ভক্তদের কান্না আর শ্রদ্ধায় ভেসে ওঠে মেসির বিদায়। বুয়েন্স আয়ার্সের রাতের আকাশে লেজার আলোর মাধ্যমে প্রদর্শিত হয় তার ১০ নম্বর জার্সি ও বিদায়ী বার্তা।
জয় দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের শেষ ম্যাচ শেষ করলেন মেসি, যে বিদায়ে ছিল গোল, অ্যাসিস্ট, জয় এবং অগণিত ভক্তের আবেগ।

মন্তব্য করুন