
জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজাদ হত্যা মামলার মুল পরিকল্পনাকারী আসামী ভাদশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য হাতেম আলী আত্নসমর্পন করলে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন আদালত। সোমবার সকালে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এম.এ রব হাওলাদার এ নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলা সুত্রে জানাযায়, ২০১৬ সালের ৪ জুন রাত পৌনে দশটার দিকে ভাদশা ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান এ.কে আজাদ মোটরসাইক যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বাড়ির অদুরে গোপালপুর বাজারের কাছে দুবৃর্ত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে ফেলে রেখে যায়।
এলাকাবাসীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করলে অবস্থার অবনতি হওয়ার পরে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে পুপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই এনামুল হক কাসমির বাদী হয়ে ৫ জুন জয়পুরহাট সদর থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো ৬/৭ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর দুজন আসামী বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয় এবং বিভিন্ন সময় অন্যান্য ৪ জন আসামী কারাগারে থাকলেও হত্যা মামলার মুল পরিকল্পনাকারী আসামী আওয়ামীলীগ নেতা হাতেম আলী এতোদিন পলাতক ছিলেন। প্রায় সাড়ে চার বছর পর সে আদালতে আত্মসমর্পন করলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
