
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে কক্সবাজারের নাজিরারটেক শুঁটকি মহালে ঝোড়ো হাওয়া তাণ্ডব চালিয়েছে।
সোমবার মধ্যরাতের কয়েক মিনিটের তীব্র বাতাসে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি উৎপাদন ঘর ও আড়ত বিধ্বস্ত হয়েছে।
এতে মাচায় শুকাতে দেওয়া ও গুদামে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত মাছ বাতাসে উড়ে গিয়ে এবং বৃষ্টির পানিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে।
এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টির কারণে মাটি নরম থাকায় বাতাসের তোড়ে আড়তের চালা ও বাঁশের মাচা তছনছ হয়ে যায়।
আড়ত মালিক শফিকুল ইসলাম জানান, ঝড়ের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে শুকাতে রাখা ছুরি, লইট্যা, ফাইস্যা, চইক্কা ও পোপাসহ বিভিন্ন প্রজাতি মাছ উড়ে গিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে পড়ে।
নাজিরারটেক মৎস্য ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত আড়ত ও নষ্ট হওয়া মাছ মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা।
এ অবস্থায় চরম বিপাকে পড়া ব্যবসায়ীরা সরকারের কাছে জরুরি আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আবুল হান্নান জানান, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হওয়ায় কক্সবাজারসহ সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে।
মৎস্য ধরার ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
