ঢাকা
১৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ
Advertise with us

চট্টগ্রাম শাহ আমানতে যৌথ অভিযান

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬   ১৩৫ বার পঠিত
চট্টগ্রাম শাহ আমানতে যৌথ অভিযান

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি বড়সড় যৌথ অভিযানে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা রাজস্ব মূল্যের ১ হাজার ৬৯৮ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে আসা ‘এয়ার আরাবিয়া’র একটি ফ্লাইটের তিন যাত্রী এবং ব্যাগেজ বেল্ট থেকে মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় এ বিপুল পরিমাণ সিগারেট উদ্ধার করা হয়।

​রবিবার (৩১ মে) রাতে বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক অ্যারাইভাল হলের ৩ নম্বর গেটের কাছে এ অভিযান চালানো হয়।

​যেভাবে এলো সিগারেটের বিশাল চালান

​বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শারজাহ থেকে আসা এয়ার আরাবিয়ার ‘জি৯-৫২০’ ফ্লাইটের ৩ জন যাত্রীর ব্যাগেজ তল্লাশি করে প্রথমে ১ হাজার ২ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়। একই সময়ে অ্যারাইভাল হলের লাগেজ বেল্টে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ৬৯৬ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়।

​জব্দকৃত মোট ১ হাজার ৬৯৮ কার্টন সিগারেটের মধ্যে নামি ব্র্যান্ড ‘মন্ড’ ও ‘ম্যানচেস্টার’ রয়েছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের হিসাব মতে, এই চালানটি থেকে সরকারের ফাঁকি দেওয়া রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ৩৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।

​জড়িত অভিযোগে আটক ৩ যাত্রী

​অবৈধভাবে এই সিগারেট বহনে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন যাত্রীকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন:

​মো. মোস্তফা কামাল সুমন (রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর)
​মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তালুকদার (হাটহাজারী, চট্টগ্রাম)
​মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন তালুকদার (রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম)
​ শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, আটককৃত পণ্যসমূহ ডিপার্টমেন্টাল মেমোরান্ডা (ডিএম) মূলে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে আটক তিন যাত্রীকে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও কাস্টমস শাখা কর্তৃক মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

​কঠোর নজরদারিতে বিমানবন্দর

​পাঁচটি সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অংশ নেয়— বিমানবন্দর জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), ডিজিএফআই, কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স, এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) এবং বিমানবন্দর কাস্টমস শাখা।

​জনসংযোগ কর্মকর্তা আরও জানান, দেশে আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি রোধে বিমানবন্দর কাস্টমস, কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সর্বোচ্চ নজরদারি ও জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
Advertise with us