প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি। মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে আলোইস জভিংগি সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান।
বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ডেল্টা রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামকে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক করা, বন্যার ঝুঁকি কমানো এবং পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
আলোইস জভিংগি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ বাড়াবে।
তিনি বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে ডব্লিউইএফের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।
সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।