

চট্টগ্রাম নগরের নতুন ফিশারিঘাট এলাকায় বেড়া মার্কেটে বস্তিতে ছুরিকাঘাতে মো. আবু তৈয়ব (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার পেছনে তিনটি কারণ জানতে পেরেছে পুলিশ।
এর আগে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে বস্তির আকতারের কলোনির ভাড়াটিয়া আবু তৈয়বকে (৪২) কুপিয়ে খুন করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই যুবলীগ নেতাসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নগরের বকশিরহাট ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি আকতার হোসন প্রকাশ কসাই আকতার (৪১), তার সহযোগি মো. সাইফুদ্দিন (৪০), রায়হান উদ্দিন (২৫), আশরাফুল ইসলাম (২৮), মো. সবুজ (৩৫), মো আবু তাহেব কালু (২০) এবং আকতারের কলোনির ভাড়া সংগ্রহকারী হাসিনা (২০)।
আকতার কর্ণফুলী নদীসংলগ্ন এলাকায় সরকারি খাসজমিতে গড়ে ওঠা বস্তির একটি কলোনির মালিক। শনিবার (১৭ আক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান এসব তথ্য জানান।
উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান বলেন, পূর্ব বিরোধের জেরে তৈয়বকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। আরো ৩ জন পলাতক আছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই তাদের গ্রেপ্তার করতে পারবো।
তিনি বলেন, আকতার সরাসরি হত্যার নির্দেশ দেন। এরপরই মূলত তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত শুরু হয়। হত্যার পর একে গণপিটুনি বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে আকতার ও তার অনুসারীরা।
মূলত তিনটি কারণে তৈয়ব খুনের ঘটনা ঘটেছে জানিয়েছেন বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন বলেন, নিহত তৈয়ব ফিশিং ট্রলার ও কাঠের ট্রলার নদীতে ভাসানোর সময় শ্রমিক সরবরাহ করে। এ কাজটি তৈয়বের কাছ থেকে ভাগিয়ে নিতে চেষ্টা করেও পারেনি আকতার।
‘এছাড়া বেড়া মার্কেট এলাকায় তৈয়বের একটি দোকান আছে। সেখানে প্রতিদিন গিয়ে আকতারের ভাই মুন্না এক হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। কিন্ত তৈয়ব দেয়নি। এসব নিয়ে বিরোধের জেরে তৈয়বকে আকতার ও তার লোকজন কুপিয়ে খুন করেছে।’ বলেন ওসি নেজাম জানান।


