
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের আপিলের শুনানির জন্য আগামী ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।
এ সময় বিচারাধীন বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করতে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামকে সতর্ক করেন আদালত।
পরে চিফ প্রসিকিউটর জানান, ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত আপিল বিভাগে অবকাশকালীন ছুটি থাকবে। ছুটি শেষে আদালত খোলার চার সপ্তাহ পর আবুল কালাম আযাদের আপিলের শুনানি হবে।
আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আপিলে বিলম্ব মার্জনা এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ডের রায় স্থগিতের আবেদন করেছেন আবুল কালাম আযাদ।
২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি পলাতক অবস্থায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত অপরাধের অভিযোগে এ রায় দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি ছিল প্রথম রায়।
ইসলামবিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া আবুল কালাম আযাদ রায়ের পর দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন।
পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করার শর্তে এক বছরের জন্য তাঁর সাজা স্থগিত করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এরপর তিনি আত্মসমর্পণ করে আপিলের প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের আবেদন করেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ পরে আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় আপিল করেন আবুল কালাম আযাদ।
