ঢাকা
২৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

সহানুভূতি দেখিয়ে আদালতকে প্রভাবিত করতে চায় না সরকার

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
শনিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২০   ৩০৮ বার পঠিত
সহানুভূতি দেখিয়ে আদালতকে প্রভাবিত করতে চায় না সরকার

খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে তার পরিবারের বিশেষ আবেদন করার ব্যাপারে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা বিশেষ আবেদনের কথা বলছেন, তারা আসলে আবেদন কার কাছে করবেন? আদালত নাকি সরকারের কাছে? বেগম জিয়া কিন্তু এখন আদালতের এখতিয়ারে। এখানে সহমর্মিতা-সহানুভূতির বিষয় নয়, এটা লিগ্যাল ব্যাপার। আসলে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে সহমর্মিতা বা সহানুভূতির ঘাটতি নাই। কিন্তু এক্ষেত্রে সহানুভূতির কথা বলে তো আমরা আদালতকে প্রভাবিত করতে পারি না।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) ব্র্যাকের আয়ােজনে নারী গাড়িচালকদের প্রশিক্ষণ পরবর্তী সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

 

 

খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে বিশেষ আবেদন করবে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। যদি খালেদা জিয়ার পরিবার তার মুক্তির জন্য বিশেষ আবেদন করে সে ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান কী হতে পারে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিশেষ আবেদন আদালতে নাকি সরকারের কাছে করবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। এটা আমরা জানিও না, আর সরকারের কাছে আবেদনের বিষয়ও নয়।

খালেদা জিয়ার পরিবার আবেদন করলে কোনো সহমর্মিতা সাথে পাবেন কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এখানে সহমর্মিতা সহানুভূতি এর বিষয় নয় এটা লিগ্যাল ব্যাপার। আসলে সরকারের পক্ষ থেকে সহমর্মিতা বা সহানুভূতির ঘাটতি তো নাই, খালেদা জিয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সহানুভূতির কথা বলে তো আমরা আদালতকে প্রভাবিত করতে পারি না সহমর্মিতা দিয়ে আইনকে প্রভাবিত করাও যায় না।

বিএনপির অভিযোগ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জেতার জন্য সরকার সবকিছু ‘ব্যবহার’ করছে। এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা উল্টো চিত্রটাই জানি। বিএনপি’র নির্বাচনে হেরে যাবার আশঙ্কা আছে। বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার জন্য নানামুখি অজুহাত খুঁজছে।’

তিনি বলেন, তারা তথ্যপ্রমাণ দিক। কোথায় কোথায় সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন দেখছেন। সেটাতো প্রমাণ করতে হবে তার প্রমাণ দিক। দেশবাসী জানুক, শুধু মনগড়া কথা বললে তো হবে না! বিএনপি তো অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়ে। অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার মতো বক্তব্য দিলে তো হবে না। কোথায় সরকার আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে, নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে বলুক। আমি পার্টির সেক্রেটারি। একটা অফিসেও আমি আজ পর্যন্ত যাইনি। তাহলে কীভাবে প্রভাবিত হচ্ছে আমি জানি না। শুধু বললেই হবে না তথ্যপ্রমাণ দিক।

সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা চাইলেই ইভিএম এর মাধ্যমে জালিয়াতি করতে পারবেন এবং কাউন্সিলরদের সমর্থন দিয়ে প্রত্যেকটি দলের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, সদ্য সমাপ্ত চট্টগ্রাম উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয় লাভ করেছে। আবার বগুড়ার দুপচাঁচিয়া পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিতে বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেছে। যদি ইভিএমে কারচুপি করার সুযোগ থাকে এবং নির্বাচন নিয়ে কোনো জালিয়াতি হয় তাহলে চট্টগ্রাম ও উপ-নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম কেন? সরকারের যদি এখানে খারাপ কোনো উদ্দেশ্য থাকতো তাহলে তো নির্বাচনে উপস্থিতির সংখ্যা বেড়ে যেতো! নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে এমন অভিযোগ করা যুক্তিহীন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত যতগুলো নির্বাচন ইভিএম পদ্ধতিতে হয়েছে তারা বলুক কোন জায়গায় কখন কিভাবে নির্বাচনে জালিয়াতি হয়েছে, একটা অন্তত উল্লেখ করুক। কোনো তথ্য প্রমাণ নেই তারা শুধু বলার জন্য বলেই যাচ্ছেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa