ঢাকা
২২ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান চট্টগ্রাম শাহ আমানতে যৌথ অভিযান

কাজিপুরে অভুক্ত পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২২   ২৮৭ বার পঠিত
কাজিপুরে অভুক্ত পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন

ভ্যান চালিয়ে কোন মতে সংসার চলে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে গোলজার হোসেন – মালেকা খাতুনের পরিবার। দীর্ঘ চল্লিশ বছরের সংসার জীবনে নেই কোন সন্তানাদি।ভ্যানের প্যাডেল ঘোরাতে ঘোরাতে শরীরে নানা রোগ বালাই জেকে বসেছে।গত কয়েক বছর যাবৎ একবেলা করে ভ্যান চালিয়ে আসছিলেন তিনি। এভাবেই চলছিলো সংসার। বছরখানেক পূর্বে তিনি পক্ষাঘাত রোগে আক্রান্ত হন। তখন থেকে তার শরীর ক্রমান্বয়ে ভেঙ্গে পড়ে। স্ত্রীর সাহায্য ছাড়া চলতে ফিরতেও পারেন না গোলজার আলী। এমতাবস্থায় জীবন চালাতে সহায়তা চাইছেন নানাজনের নিকট এই দম্পতি। উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের এই দম্পতি গত দুদিন ধরে খেতে পাননি। অভুক্ত ওই দম্পতি একমুঠো খাবারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি। তাৎক্ষণিক সেই দম্পতির পাশে দাঁড়িয়েছেন কাজিপুর উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি)দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে একমুঠো খাবারের জন্য উপস্থিত হন বৃদ্ধ দম্পতি। কিন্তু কাকে বলতে হবে কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। শুধু দু’চোখে অশ্রু ঝরাচ্ছিলেন। তাদের কাছে সাংবাদিক এগিয়ে গেলে গোলজার হোসেন কাঁদো কাঁদো গলায় বলেন, দুই দিন হইলো খাইবার নাই। না খায়া আছি দুইজন। একজন কইছে টিএনও (ইউএনও) স্যারের কাছে গেলি খাবার দিবো। তাই আইসা বইসা আছি। কাক্ কমু বাবা? কিছুই বুইঝতাছি না।

পরে বিষয়টি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা একেএম শাহাআলম মোল্লাকে জানালে তিনি তাৎক্ষণিক ওই দম্পতির কাছে যান। অবস্থা দেখে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের শীতবস্ত্র ও খাবার তুলে দেন তাদের হাতে।
খাবার ও শীতবস্ত্র পেয়ে ওই দম্পতি বলেন, দুই বস্তা খাবার পাইলাম। কয়াকদিন প্যাট ভাইরা খাইবার পামু। না চাইতেই জাড়ের (শীত) জন্য কম্বল দিছে। স্যারেক আল্লাহ ভালো রাহুক।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা একেএম শাহাআলম মোল্লা জানান, বিষয়টি জেনে সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে কম্বল ও খাবার দেয়া হয়েছে। গাড়িতে বাসায় পৌঁছে দেয়া হয়েছে ওই দম্পতিকে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে সব সময়ই সহায়তার জন্যে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি আগে যদি কেউ আমাদের জানাতো তাহরে তাদের বাসাতেই খাবার পৌঁছে দিতাম।#

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa