ঢাকা
২২ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান চট্টগ্রাম শাহ আমানতে যৌথ অভিযান

ওমিক্রম মোকাবেলায় প্রস্তুত রামেক হাসপাতাল

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
রবিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২   ২৫৯ বার পঠিত
ওমিক্রম মোকাবেলায় প্রস্তুত রামেক হাসপাতাল

করোনাভাইরাস সংক্রমণে রেড জোনের মধ্যে পড়েছে রাজশাহী। প্রতিদিন এ জেলায় আক্রান্তের হার ভয়ানকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে করোনার নতুন ‘সুনামি’ ওমিক্রন মোকাবেলায় যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি রাজশাহীতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওমিক্রন মোকাবেলায় রামেক হাসপাতাল পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে যাওয়ার কারণে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যাও একেবারেই কমে গিয়েছিলো। কিন্তু গত কয়েকদিন থেকে রামেক হাসপাতালে আক্রান্ত কিংবা সাসপেক্টেড রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, ‘করোনার ভারতীয় ধরন ডেল্টা ভেরিয়েন্টের চেয়ে ওমিক্রন ৫ গুণ কম ক্ষমতাসম্পন্ন বলে বলা হচ্ছে। কিন্তু এটি দ্রুত বাতাস কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে ছড়িয়ে যায়। এজন্য এটি সবচেয়ে বেশি ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সঙ্গত কারণেই রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটকে ওমিক্রন মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কেননা, হয়তো অদূর ভবিষ্যতে ডেল্টা ভেরিয়েন্টের মত দ্রুত ছড়িয়ে যেতে পারে।’

ওমিক্রন মোকাবেলার প্রস্তুতি সম্পর্কে হাসপাতাল পরিচালক বলেন, হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে প্রায় ৭০০ সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন রয়েছে। হাইফ্লোনেজাল ক্যানুলা রয়েছে, অক্সিজেন কনসান্ট্রেটর রয়েছে ৩০০টি। ১ হাজার ৪০০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং ২৪টি বাইপেপ রয়েছে। এছাড়া রয়েছে ১ হাজার লিটারের একটি ভিআই ট্যাংক। সেই সাথে ভিআই ট্যাংকটি ৩ হাজার লিটারে উন্নীত করার কাজ চলছে।

রামেক হাসপাতাল আরও পরিচালক বলেন, ‘আপাতত করোনা ওয়ার্ডে (২৯ ও ৩০ নং ওয়ার্ড) প্রশিক্ষিত ২টি চিকিৎসক টিম (১৬ জন) কাজ করছে। এছাড়া করোনা ক্যাবিনে ১২ জন ডাক্তার চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া পর্যাপ্ত নার্সও সেখানে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছে। ওমিক্রনের সংক্রমন বেড়ে গেলে সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী ডাক্তার-নার্স সংযোজন করা হবে।’

শামীম ইয়াজদানী বলেন, ‘ওমিক্রনের লক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে, রাজশাহীতেও ওমিক্রন হানা দিয়েছে। কেননা- ওমিক্রন আসলে ওইভাবে রোগীকে কাবু করতে পারে না। এজন্য অনেকেরই হাসপাতালের আসার প্রয়োজন হয় না। আমার পরিচিত বেশ কয়েকজনের এমন হয়েছে। তাদের অনেকেই বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কিন্তু রাজশাহীতে ওমিক্রন সনাক্তের ব্যবস্থা না থাকায় আসলে বুঝা যাচ্ছে না যে, তারা এই ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত কি-না।’

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa