ঢাকা
২১ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান চট্টগ্রাম শাহ আমানতে যৌথ অভিযান

সোনালি আঁশের সুদিন ফিরে পেয়েছেন রাজশাহীর চাষিরা

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১   ৩৭২ বার পঠিত
সোনালি আঁশের সুদিন ফিরে পেয়েছেন রাজশাহীর চাষিরা

সোনালি আঁশের সুদিন ফিরে পেয়েছেন চাষিরা। সঠিক দামের পাশাপাশি বাজারে পাটের চাহিদাও বেড়েছে অনেক বেশি। এবার রাজশাহীর পুঠিয়ায় গত বছরের তুলনায় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে পাটবীজ বপন করা হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে পাটের দাম কম থাকায় স্থানীয় চাষিরা ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছিলেন।

আর গত দু’বছর থেকে পাটের চাহিদা ও দাম ভালো পাওয়ায় পাট চাষে ঝুঁকছেন অনেক চাষিরা। অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করলে এবার পাটের রেকর্ড পরিমাণ ফলন আশা করছেন তারা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলার ৬টি ইউপি এলাকায় প্রায় ৩ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে পাট বীজ বপন করা হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনায় ১৬০ হেক্টর জমি বেশি। আর উৎপাদন লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৩৭০ মেটন। স্থানীয় কৃষকরা এবার ও-৯৮৯৭, জিআরও ৫২৪ জাতের পাটবীজ বেশি বপন করেছে। তাছাড়া ভারত থেকে আমদানিকৃত চাকা মার্কা জাতের পাটবীজও অনেকই বপন করেছে।

তারাপুর এলাকার কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, কৃষি উপকরণের পাশাপাশি দিনমজুরের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। তার মধ্যে বীজ বপন থেকে পাট কেটে প্রক্রিয়াজাতকরণ পর্যন্ত ১ বিঘা জমিতে প্রায় ৮-৯ হাজার টাকার মত খরচ হয়। গত কয়েক বছর যাবত বাজার মন্দা থাকায় পাট বপন করে এলাকার অনেক চাষিদের লোকসান গুণতে হয়েছে। তবে গত দু’বছর থেকে বাজারে পাটের চাহিদার পাশাপাশি দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে। যার কারণে এবার অনেকেই পাট চাষে এগিয়ে আসছেন।

আশরাফুল ইসলাম নামে একজন পাটব্যবসায়ী বলেন, গত বছরের শুরু থেকেই প্রতিমণ পাট দু’হাজার থেকে শুরু করে তিন হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে বাজারে পাটের চাহিদার পাশাপাশি দামও বেড়েছে দ্বিগুণ। সর্বশেষ গত মাসে পাট কিনা বেচা হয়েছে প্রতিমণ ৬ হাজার টাকা দরে। সে অনুপাতে এবারো পাটের বাজার ভালো যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামসুনাহার ভূইয়া বলেন, বিগত বছর গুলোতে বৈরি আবহাওয়ার কারণে এই অঞ্চল সময়মত বৃষ্টিপাত অনেক কম হয়েছিল। চাষিরাও ছিল বৃষ্টিপাত নির্ভর। আর বর্তমানে চাষিরা জমিতে সেচ ব্যবস্থায় চাষাবাদ করছেন। তাছাড়া পাটের চাহিদার পাশাপাশি দামও অনেক ভালো। যার কারণে পাট চাষে অনেক কৃষক এগিয়ে এসেছেন। অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করলে এবং সঠিত পরিচর্যা করতে পারলে এবার পাটের বাম্পার ফলন হবে।

দৈনিক বাংলাদেশ মিডিয়া/এসআরসি-১৯

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa