ঢাকা
২৭ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

গোয়াইনঘাটে নামজারির নামে ৬০ হাজার টাকা আত্মসাৎ, ভূমি সহকারী অসিম চন্দের বিরুদ্ধে এডিসির কাছে অভিযোগ

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬   ১৫৬ বার পঠিত
গোয়াইনঘাটে নামজারির নামে ৬০ হাজার টাকা আত্মসাৎ, ভূমি সহকারী অসিম চন্দের বিরুদ্ধে এডিসির কাছে অভিযোগ

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা ভূমি অফিসের নামজারি (জমা-খারিজ) সহকারী অসিম চন্দের বিরুদ্ধে নামজারি করে দেওয়ার নামে ৬০ হাজার টাকা গ্রহণ, মূল দলিল আটকে রাখা এবং অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী মো. দেলোয়ার হোসেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক এবং গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার নিয়াগুল গ্রামের বাসিন্দা মো. দেলোয়ার হোসেন তার নিজের খরিদা দুই শতক বাড়ির জমিসহ তার মামা আব্দুস সালাম, চাচা শ্বশুর জয়নাল আবেদীন এবং মামাতো ভাই মুনজুর আলমের নামে মোট চারটি নামজারির আবেদন করেন। আবেদনগুলোর মামলা নম্বর যথাক্রমে ৪৬/২০২৪-২৫, ৫২৮/২০২৪-২৫, ৫৭৮/২০২৪-২৫ এবং ৪৪৩৪/২০২৩-২৪।

অভিযোগ অনুযায়ী, আবেদন অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় মূল দলিল জমা দেওয়ার পাশাপাশি প্রথমে ৪০ হাজার টাকা এবং পরে জমির শ্রেণি ‘বাড়ি’ দেখিয়ে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। নিরুপায় হয়ে তিনি মোট ৬০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। তবে টাকা নেওয়ার পরও নামজারি সম্পন্ন না করে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। একপর্যায়ে দলিলে ত্রুটি রয়েছে দাবি করে আরও ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। অতিরিক্ত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার চারটি আবেদন বাতিল করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেনের দাবি, আবেদন বাতিল হওয়ার পর তিনি একাধিকবার টাকা ও মূল দলিল ফেরত চাইলে তাকে ঘুরানো হয়। এমনকি গত ২ মার্চ গভীর রাত পর্যন্ত অফিসে অপেক্ষা করিয়েও টাকা ও দলিল ফেরত দেওয়া হয়নি। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে অভিযোগ করতে গেলে তাকে বাধা দেওয়া এবং বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে হয়রানির হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দেলোয়ার হোসেন বলেন, “আমি আমার আত্মসাৎ হওয়া টাকা ও মূল দলিল ফেরত চাই। একই সঙ্গে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নামজারি সহকারী অসিম চন্দের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কার্যালয়ের পক্ষ থেকে অভিযোগটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa