
আজ থেকে শুরু হচ্ছে এস.এস.সি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর গাইবান্ধায় এসএসসি,দাখিল ও এস.এস.সি কারিগরি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩৪ হাজার ২২৩ জন শিক্ষার্থী।
গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা অফিসার এনায়েত হোসেন জানান,জেলার মোট ৭২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে ৪০টি কেন্দ্রে এস.এস.সি, ১১টি কেন্দ্রে দাখিল,১৭টি কেন্দ্রে এস.এস.সি ভোকেশনাল এবং ৪টি কেন্দ্রে দাখিল ভোকেশনালের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেবে।
এ বছর গাইবান্ধায় এস.এসসিতে অংশ নিচ্ছে ২৬ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী। অপরদিকে দাখিলে ৫ হাজার ২১৫ জন,এস.এস.সি ভোকেশনালে ২ হাজার ৭৮৯ জন এবং দাখিল ভোকেশনালে ৬৮জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছে।সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষে প্রতিটি কেন্দ্র সচিবকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া নয়টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের আওতায় এস.এসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে বিদেশের ৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে ৩৪২ জন।প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
চলতি বছর এস.এসসি,দাখিল ও এস.এসসি কারিগরি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্র বৃদ্ধি পেলেও বাড়েনি শিক্ষার্থীর সংখ্যা। গতবারের চেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৮৭ হাজার ৫৫৪ জন।
২৮ হাজার ৮৮৪ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৫১২ টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এবারের পরীক্ষায় অংশ নেবে ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ২৪০ জন। যার মধ্যে ছাত্রী ৮ লাখ ৪৩ হাজার ৩২২ জন। ছাত্রের তুলনায় ৫১ হাজার ৪০৪ জন ছাত্রী বেশি।
মাদ্রাসা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন। ছাত্রী অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ১১৬ জন। ছাত্রের তুলনায় ১২ হাজার ৯৭৮ জন বেশি।
কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ লাখ ৩১ হাজার ২৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম বলছেন, প্রশ্নফাঁস রোধে এবার সব ধরণের ব্যবস্থা নিয়েছেন তারা।
দেশের বাইরে জেদ্দা, রিয়াদ, ত্রিপলী, দোহা, আবুধাবী, দুবাই ও বাহরাইন কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে ৩১২ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১৮৬ জন ছাত্র, আর ১৫৬ জন ছাত্রী। বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া এবার অন্যান্য বিষয়ের পরীক্ষা সৃজনশীল প্রশ্নে হবে। নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে হবে বলে জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা ২০ মিনিট বেশি সময় পাবে।
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে পূর্বনির্ধারিত ১ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।
