পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) লংমার্চ পঞ্চম দিনে পেশোয়ারে পৌঁছেছে। খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদির নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হায়াতাবাদ টোল প্লাজায় পৌঁছান দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।
গত ৪ অক্টোবর লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া এ লংমার্চের পরবর্তী গন্তব্য চারসদ্দা ও সোয়াবি। সোয়াবিতে আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বড় ঘোষণা দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন সোহেল আফ্রিদি।
সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রকৃত স্বাধীনতার জন্য এ আন্দোলন চলছে। কারাগারে ইমরান খান যে কষ্ট ভোগ করছেন, তার তুলনায় আন্দোলনকারীদের কষ্ট সামান্য।
পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহর খান রাজনৈতিক সংকট সমাধানে সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দলের দুই নেতা নিখোঁজ থাকার অভিযোগ তুলে তাদের সন্ধান ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন দাবি করেন। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় জাতীয় ঐকমত্য এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের ওপর গুরুত্ব দেন।
লংমার্চ ঘিরে পেশোয়ারের বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। কিছু বেসরকারি স্কুল বন্ধ থাকলেও অনেক অভিভাবক বিষয়টি জানতে পারেননি।
এদিকে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সরকারি সম্পদ ব্যবহারের অভিযোগে সোহেল আফ্রিদির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছেন পেশোয়ার হাইকোর্ট। লংমার্চে অংশ নিতে সরকারি হেলিকপ্টার ব্যবহারের অভিযোগে আদালত তার কাছে জবাব চেয়েছেন।
পিটিআইয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মারদানে এবং ১১ অক্টোবর সোয়াবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করবে দলটির নেতৃত্ব।

মন্তব্য করুন