যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কায় সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি অবশ্য বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কানাডা আক্রমণের ঝুঁকি খুবই কম। তবে পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সব ধরনের সম্ভাবনা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার বক্তব্য এবং শুল্কনীতিকে ঘিরে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই সম্ভাব্য সংঘাতের বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে সামরিক মডেল তৈরি করছে কানাডা।
সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ন্যাটোর সদস্য দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র নোরাডের অধীনে উত্তর আমেরিকার আকাশ ও মহাকাশ প্রতিরক্ষায় যৌথভাবে কাজ করে এবং গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করে।
তবে সম্ভাব্য সংঘাত হলে তা সরাসরি স্থল হামলা দিয়ে শুরু নাও হতে পারে। সাইবার হামলার মতো গোপন পদ্ধতিও ব্যবহৃত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
একটি কানাডীয় সামরিক মডেল অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থানগুলো দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এরপর কানাডীয় বাহিনী দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং মিত্রদের সহায়তা চাইতে পারে।
এদিকে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে সেনাবাহিনীর আকার বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে কানাডা।


মন্তব্য করুন