ঢাকা
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
এক মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রতিমন্ত্রী—আইনে কি অনুমোদন আছে? মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান

প্রাথমিকে শিক্ষক বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

বাংলাদেশ মিডিয়া ডেস্ক
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬   ৩৪ বার পঠিত
প্রাথমিকে শিক্ষক বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ১৪ হাজার নতুন শিক্ষক পদায়ন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বদলি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। আজ থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, আগামী বছর দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু করা হবে।

তিনি বলেন, ‘নতুন শিক্ষকদের নিয়োগের পর আবার বদলি চালু হবে। তখন বর্তমান সিস্টেমটা, যে নীতিমালায় বদলিটা চলছিল সেটাতে হবে না অন্য কিছুতে হবে, সেটা তখনই বলা যাবে। যেহেতু তখন চেঞ্জ হতে পারে, তাহলে সেটা নিয়ে এখন আবার আলোচনার প্রয়োজন।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘উপবৃত্তিসহ সব বিষয়ের দিকে আমরা নজর রাখছি এবং সেই আঙ্গিকে আমরা কাজ করব। তবে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে যে ফিডব্যাক পাই যে, এটা আরো নিড বেসড মানে ফাইনান্সিয়াল নিড বেস হলে সবচেয়ে বেশি ভালো হয়। তখন আগামী দিনগুলোতে আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে, যেন এটা ফাইনান্সিয়াল নিড বেসিসের ওপরে হয় এবং সংখ্যাটা আরো বাড়ে।’

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরো কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশু-কিশোরদের শিক্ষার আওতায় আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। সরকারের উন্নয়ন দর্শনে শিক্ষা ও কর্মদক্ষতার সমন্বয়, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে সর্বজনীন, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থা এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। সেই সাংবিধানিক অঙ্গীকারকে ধারণ করে সরকার প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, জীবনদক্ষতা ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাক্ষরতা বিস্তারে গত কয়েক দশকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর তথ্য অনুযায়ী দেশে ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এই অগ্রগতি আমাদের জন্য আশাব্যঞ্জক। তবে একই সঙ্গে এটিও সত্য যে এখনো একটি উল্লেখযোগ্য জনগোষ্ঠী কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা ও দক্ষতার সুযোগের বাইরে রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয়বহির্ভূত ও ঝরে পড়া শিশু-কিশোর, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষা থেকে বঞ্চিত প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষ। তাদের কাছে শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেওয়া আমাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব এবং উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার অন্যতম প্রধান শর্ত।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের শিক্ষা-দর্শনের মূলকথা হলো-মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন। একটি দেশকে প্রকৃত অর্থে এগিয়ে নিতে হলে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন জ্ঞান, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, নৈতিকতা ও কর্মক্ষমতায় সমৃদ্ধ নাগরিক।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa