
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী শাহ আলমকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পাশের একটি পুকুর সেঁচে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) ভোররাতে অভিযান চালিয়ে নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পলোয়ান পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের সময় শাহ আলমের কাছ থেকে ৪টি এলজি (স্থানীয়ভাবে তৈরি বন্দুক) এবং ৩টি কার্তুজসহ একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।
অভিযানের সময় ধৃত শাহ আলম তার বাড়ির পাশের পুকুরে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ফেলে দেন বলে পুলিশের দাবি। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, পুকুর সেঁচে তল্লাশি চালানো হয়। বিশেষ কৌশলে চুম্বকের সাহায্যে তল্লাশি চালিয়ে পুকুর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৮ রাউন্ড গুলি এবং একটি রাইফেল উদ্ধার করা হয়।
রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া গণমাধ্যমকে জানান, শাহ আলম একজন চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে ৭ থেকে ৮টি মামলা রয়েছে।
এছাড়া, তিনি দুটি হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি।ওসি আরও বলেন, “বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্রসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।”
পুলিশ ধারণা করছে, এসব অস্ত্রশস্ত্র বড় ধরনের কোনো নাশকতামূলক কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য মজুত করা হয়েছিল। এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
