ঢাকা
১৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
মুহুরী নদীর পানি বাড়ছে হু হু করে: বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় নির্ঘুম ফেনীবাসী ​ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামকে ঢাকার পাশে ঘন ঘন ভূমিকম্প: বড় বিপদের আগাম বার্তা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সিলেটের মোহাম্মদ মাকসুদ আহমেদ তাহিরপুরে হত্যা করে লাশ গুমের ঘটনায় পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে গ্রেফতার বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচি: ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বিরল সূর্যগ্রহণে ইউরোপে উন্মাদনা হবিগঞ্জ কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতায় বিশাল ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছে ইরান চট্টগ্রাম শাহ আমানতে যৌথ অভিযান

র‍্যাবের জালে খুলনার আলোচিত ‘আশিক গ্রুপ’–এর দুই সদস্য

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬   ১১৪ বার পঠিত
র‍্যাবের জালে খুলনার আলোচিত ‘আশিক গ্রুপ’–এর দুই সদস্য

খুলনায় কথিত সন্ত্রাসী সংগঠন ‘আশিক গ্রুপ’-এর দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ইমন শরীফ ও সজল খান। অভিযান শেষে তাদের লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাবের তথ্যমতে, ইমন শরীফের বাড়ি খুলনা নগরের লবণচরা থানার মতিয়াখালী এলাকায় এবং সজল খানের বাড়ি চানমারী বাজার এলাকায়। তারা দীর্ঘদিন ধরে আশিক গ্রুপের হয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারফ হোসেন জানান, গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে খুলনা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ইমন শরীফকে এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি এবং পরে তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ওই মামলার প্রধান আসামি আশিক। অন্যদিকে সজল খানকে সদর থানার একটি মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, খুলনা মহানগর ও জেলায় বর্তমানে অন্তত নয়টি সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এসব গোষ্ঠীর মধ্যে বি-কোম্পানি, পলাশ গ্রুপ, হুমা বাহিনী, আরমান গ্রুপ, শাকিল গ্রুপ, নাসিম গ্রুপ, আশিক গ্রুপ, নূর আজিম গ্রুপ এবং টেংকি শাওন গ্রুপের নাম উল্লেখযোগ্য।

পুলিশের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত খুলনা নগরে ১৯টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডের পেছনে আধিপত্য বিস্তার, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর পারস্পরিক বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার প্রভাব রয়েছে।

Facebook Comments Box
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa