ঢাকা
২৯ জুলাই ২০২৬
দেশজুড়ে
কাঁটাছড়ায় বিট পুলিশিং সভা: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান এমপি নুরুল আমিনের মিরসরাই উপজেলা পরিষদে নাগরিক সেবার তীব্র ভোগান্তি: ১৬ ইউনিয়ন ও ২ পৌরসভায় জনপ্রতিনিধি নেই, বিকল্প ব্যবস্থায় বাড়তি চাপ চার রাত নিয়ন্ত্রিত থাকবে কর্ণফুলী টানেলের যান চলাচল ​ বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সিলেটে অসন্তোষ, সমাধানের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের মানিকদিতে মধ্যরাতের আতঙ্ক: অন্ধকারে এলোপাতাড়ি গুলিতে রক্তাক্ত শিক্ষার্থী লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, শর্তসাপেক্ষে চালু আদ্-দ্বীন হাসপাতাল দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ প্রথম বঙ্গভবনে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সোনারগাঁয়ে বিএনপি কর্মী নিহত, পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাতের অভিযোগ টুথপেস্টেও মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে যা করবেন চা শিল্পের বিকাশে নতুন উদ্যোগের ইঙ্গিত, সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

র‍্যাবের জালে খুলনার আলোচিত ‘আশিক গ্রুপ’–এর দুই সদস্য

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬   ১২৮ বার পঠিত
র‍্যাবের জালে খুলনার আলোচিত ‘আশিক গ্রুপ’–এর দুই সদস্য

খুলনায় কথিত সন্ত্রাসী সংগঠন ‘আশিক গ্রুপ’-এর দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ইমন শরীফ ও সজল খান। অভিযান শেষে তাদের লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাবের তথ্যমতে, ইমন শরীফের বাড়ি খুলনা নগরের লবণচরা থানার মতিয়াখালী এলাকায় এবং সজল খানের বাড়ি চানমারী বাজার এলাকায়। তারা দীর্ঘদিন ধরে আশিক গ্রুপের হয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারফ হোসেন জানান, গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে খুলনা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ইমন শরীফকে এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি এবং পরে তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ওই মামলার প্রধান আসামি আশিক। অন্যদিকে সজল খানকে সদর থানার একটি মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, খুলনা মহানগর ও জেলায় বর্তমানে অন্তত নয়টি সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এসব গোষ্ঠীর মধ্যে বি-কোম্পানি, পলাশ গ্রুপ, হুমা বাহিনী, আরমান গ্রুপ, শাকিল গ্রুপ, নাসিম গ্রুপ, আশিক গ্রুপ, নূর আজিম গ্রুপ এবং টেংকি শাওন গ্রুপের নাম উল্লেখযোগ্য।

পুলিশের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত খুলনা নগরে ১৯টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডের পেছনে আধিপত্য বিস্তার, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর পারস্পরিক বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার প্রভাব রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa