
আর্থিক অনিয়ম-দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, প্রাতিষ্ঠানিক শৃংখলা ও বিশ্বাসভঙ্গ এবং চোরাচালানের অভিযোগে জৈন্তাপুর জামেয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক পদ থেকে জামায়াতের উপজেলা সহকারী সেক্রেটারী গোলাম কিবরিয়া কে বরখাস্ত করেছে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি।
গত ২১ নভেম্বর মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জানা যায়,উপজেলা জামায়াতের নেতা ও দুর্ধর্ষ ক্যাডার গোলাম কিবরিয়া পরিচালনা কমিটির সাথে অশুভ ও অন্যায় আচরণ,বিশ্বাসভঙ্গ এবং মাদ্রাসার অফিসিয়াল ডকুমেন্ট ও অফিস সামগ্রী আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অভিযোগে বরখাস্তকৃত সাবেক ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুল গাফফারের অন্যতম সহগোগী হয়ে জৈন্তাপুর মহিলা মাদ্রাসা অবৈধভাবে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন।এছাড়া গোলাম কিবরায়া বহিষ্কৃত সুপার আব্দুল গাফফার, বখাটে হানিফ ও দুষ্কৃতিকারী সরকারী কর্মচারী আলতাফুরের সাথে দলবদ্ধভাবে রাতের আঁধারে জৈন্তা জামেয়া ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার নবনিযূক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা আনোয়ার হোসেনের উপর নগ্ন হামলা ও জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করানোর হীন উদ্দেশ্যে প্রাণনাশের হুমকি প্রদানসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হয়েছেন।সে একজন অস্ত্রবাজ সন্ত্রাসী ও ভারতীয় চোরাচালান চক্রের সদস্য।
গত ১৮ নভেম্বর মঙ্গলবার নবনিযূক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা আনোয়ার হোসেনকে প্রাণে মারার উদ্দেশ্যে সীমান্তবর্তী রুপচেং গ্রামে গেলে ও অস্ত্রের মুখে আনোয়ারকে জিম্মি ও আঘাত করলে সন্ত্রাসী গাফফার,হানিফ ও আলতাফের সাথে কিবরিয়াও উত্তেজিত জনতার হাতে ধৃত হয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়।
সোস্যাল মিডিয়ায় ছবিসহ তা ছড়িয়ে পড়লে পরিচালনা কমিটি এর সত্যতা খুঁজে পায়।গোলাম কিবরিয়া অবৈধ চোরাচালান কারবারের সাথে জড়িত থাকার পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে।এসকল অনৈতিক, রাষ্ট্র ও সমাজবিরোধী এবং মাদ্রাসাবিরোধী কর্মকান্ড ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গোলাম কিবরিয়া কে মাদ্রাসার শিক্ষক পদ থেকে বরখাস্ত করা হয় বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি এডভোকেট আব্দুল আহাদ।
