
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক সংলগ্ন চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া খানহাট এলাকায় ভোরে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে।
বিবার (৯ আগস্ট) ভোর সাড় ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
য়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ড ও উদ্ধার তৎপরতা
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার ভোরে হঠাৎ একটি দোকান থেকে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে।
মুহূর্তে আশপাশের অন্যান্য দোকানেও আগুন ধরে যায়।
বর পেয়ে চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিসের দুটি এবং পটিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আধা ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিস দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় পাশের একাধিক বড় মার্কেট ও একটি ব্যাংক ভবন বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসমূহ
ব্যবসায়ীরা জানান, আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় দোকান থেকে কোনো মালামাল বের করার সুযোগ পাননি তারা। পুড়ে যাওয়া ছয়টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হলো:
মো. শাহ আলমের চায়ের দোকান
মো. ফারুক ও সুমনের আমের গুদাম
প্রিয়তোষ শীলের সেলুন
মো. লোকমানের পানের দোকান
আজগরের বিস্কুটের দোকান
নুরুল আলমের পানের দোকান
ব্যবসায়ীদের ক্ষতি ও নাশকতার অভিযোগ
ক্ষতিগ্রস্ত চায়ের দোকান মালিক শাহ আলম আক্ষেপ করে বলেন, “রাতে দোকান বন্ধ করার সময় বিদ্যুৎ লাইনসহ সবকিছু সতর্কতার সঙ্গে দেখে গিয়েছিলাম।
কালে খবর পেয়ে এসে দেখি দোকান দাউ দাউ করে জ্বলছে।
গুনে ফ্রিজ, নগদ টাকা ও মালামাল পুড়ে আমার একারই প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”
ঘটনাটিকে কেবল দুর্ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন ব্যবসায়ী।
. আরিফ ও জহির উদ্দিন অভিযোগ করেন, দোকান সংলগ্ন জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষ শত্রুতাবশত আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে।
চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর মো. কামরুল হাছান জানান, “প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে চন্দনাইশ থানা পুলিশ ও স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
