

২০২৬ বিশ্বকাপের মাত্র ১১ দিন পার হলেও ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার নতুন রেকর্ড গড়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছেন। লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, কিলিয়ান এমবাপ্পে, হ্যারি কেইন ও আর্লিং হালান্ডের পারফরম্যান্সে জমে উঠেছে এবারের আসর।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১৬-তে উন্নীত করেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। এতে তিনি জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডে সমতা এনেছেন। আর একটি গোল করলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে এককভাবে বসবেন তিনি।
ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেও রয়েছেন রেকর্ডের দৌড়ে। বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা এখন ১৪। ফলে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে ওঠার সুযোগ রয়েছে তার সামনেও।
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে গ্যারি লিনেকারের ১০ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন। পরবর্তী গোলেই তিনি দেশের সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ গোলদাতা হবেন।
অন্যদিকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো একটি অনন্য রেকর্ডের অপেক্ষায় আছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে একটি গোল করতে পারলেই টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়বেন পর্তুগিজ তারকা। ইতোমধ্যে ৪১ বছর বয়সে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক আউটফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবেও নতুন রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
নরওয়ের আর্লিং হালান্ডও বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচেই আলো ছড়িয়েছেন। ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করে দেশের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে উঠে এসেছেন এই স্ট্রাইকার।
এদিকে গোল্ডেন বুটের লড়াইও জমে উঠেছে। মেসি, ডেনিস উন্দাভ ও জনাথন ডেভিড তিনটি করে গোল নিয়ে এগিয়ে থাকলেও এমবাপ্পে, কেইন ও হালান্ড রয়েছেন কাছাকাছি অবস্থানে।
কোচদের মধ্যেও রেকর্ডের দৌড় চলছে। ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম আর একটি জয় পেলেই বিশ্বকাপে সর্বাধিক ১৬ জয়ের রেকর্ডে স্পর্শ করবেন।
এ ছাড়া টুর্নামেন্টের শুরুতেই লাল কার্ডের সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। এখন পর্যন্ত ৬টি লাল কার্ড দেখানো হয়েছে, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


