ঢাকা
২৭ জুলাই ২০২৬
দেশজুড়ে
চা শিল্পের বিকাশে নতুন উদ্যোগের ইঙ্গিত, সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উদযাপনে জেলা প্রশাসনের জোর প্রস্তুতি থানচিতে নৌকাডুবে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার, ৩০ জুলাই পর্যন্ত নৌযান চলাচল বন্ধ সদর দপ্তর বিরোধ: ফটিকছড়িতে দিনভর থমথমে অবস্থা, ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরু দেশে বছরে পানিতে ডুবে প্রাণ হারান ১৮ হাজার মানুষ, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে শিশুরা গ্যাসের চাপ কম, চট্টগ্রামে রান্নায় চরম ভোগান্তি কাঁচা মাছ খেয়ে এক মাস সাগরে! উদ্ধার হতেই পুলিশের হেফাজতে বাবা-ছেলে সিলেট জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের আওলাদের বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ নারী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনার সিলেটের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: ২৭ জুলাই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের ঘোষণা চিফ প্রসিকিউটরের

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙন রোধে পলাশপুর রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬   ১৭৪ বার পঠিত
কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙন রোধে পলাশপুর রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ

কুড়িগ্রামে তিস্তা নদীর ভাঙনে বসতভিটা ও আবাদি জমি হারানো ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের পলাশপুর গ্রাম রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন এলাকাবাসী।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে তিস্তা নদীর তীরবর্তী পলাশপুর এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভাঙন কবলিত মানুষসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশ নেয়।

সংগঠনের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু’র সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শাহ আলম, নাজিমখান ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বাদশা বক্সী, সদস্য সচিব আতিকুর রহমান আতিক, এডভোকেট মোশাররফ হোসেন, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম সহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মোকসেদ আলী ও মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পলাশপুর গ্রামকে রক্ষায় দ্রুত কার্যকর নদীশাসন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের বসতভিটা ও জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

এসময় সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, ২০১৬ সাল থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা শোনা গেলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। তিনি বলেন, তিস্তা নদী ভারতের সিকিম থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তিস্তার দুই তীরের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় দুই লাখ মানুষ বসবাস করে, যারা প্রতি বছর ভাঙনের শিকার হচ্ছেন। এতে হাজার হাজার মানুষ বসতভিটা ও জীবিকা হারাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa