ঢাকা
১২ আগস্ট ২০২৬
দেশজুড়ে
জুন আসে জুন যায়, যাদুকাটা নদীতে সেতুর কাজ আর শেষ হয় না শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বুইশ্যা’র ৭ সহযোগী গ্রেপ্তার, উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র ​ সাগরে লঘুচাপের সৃষ্টি, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত মৌলভীবাজারে আল হামরা প্রাইভেট হাসপাতালসহ দুই প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড কক্সবাজারে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত ফেনী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন: ছাগলনাইয়া পুলিশ ৩ ড্রামট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৩ “চাঁদপুরে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ: প্রাণ হারালেন ৩ জন, হাসপাতালে আরও ১৫” রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: প্রস্তুতি পর্যালোচনায় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার-ইসির বৈঠক শুরু চট্টগ্রাম পতেঙ্গায় কোস্ট গার্ডের ‘অপারেশন সমুদ্র প্রহরা চট্টগ্রামের পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রক্তাক্ত অবস্থায় স্ত্রী ভর্তি হাসপাতালে

হবিগঞ্জে অবৈধ করাত কল নিয়ে বন বিভাগ ও পল্লী বিদ্যুতের টানাপোড়েন

বাংলাদেশ মিডিয়া প্রতিবেদক
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬   ১৩৪ বার পঠিত
হবিগঞ্জে অবৈধ করাত কল নিয়ে বন বিভাগ ও পল্লী বিদ্যুতের টানাপোড়েন

হবিগঞ্জ জেলার বনাঞ্চলঘেরা এলাকা গুলোতে লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ করাত কল। এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বন বিভাগ থেকে লিখিত অনুরোধ জানানো হলেও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ তা আমলে নিচ্ছে না। ফলে এই দুই সরকারি দপ্তরের মধ্যে এক ধরনের স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়েছে, যার সুযোগ নিয়ে অবাধে বনের কাঠ চেরাই করে বনাঞ্চল উজাড় করছে অসাধু চক্র।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার বাহুবল ও নবীগঞ্জ উপজেলায় ৬৬টি করাত কলের মধ্যে মাত্র ৩টির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে। আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত বনের ১০ কিলোমিটার সীমানার মধ্যে করাত কল স্থাপনের অনুমতি না থাকলেও বাহুবলে ৬৩টি এবং নবীগঞ্জে ৩৪টি অবৈধ করাত কল দাপটের সাথে চলছে।

গত ২ ফেব্রুয়ারি শায়েস্তাগঞ্জ বন বিভাগ থেকে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজারকে এই অবৈধ সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করতে চিঠি দেওয়া হয়।

কিন্তু দুই মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন, বন বিভাগের লাইসেন্স দেখে নয়, বরং নিজস্ব আইন মেনে তাঁরা সংযোগ দিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুতের কিছু অসাধু কর্মকর্তা মাসোহারা নিয়ে এসব অবৈধ সংযোগ বহাল রেখেছেন। পুটিজুরী এলাকার জনৈক আবুল খায়েরের মতো অনেক করাত কল মালিকও স্বীকার করেছেন যে, লাইসেন্স না থাকলেও তাঁরা বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছেন।

এদিকে বনাঞ্চলের পাশে করাত কল চলায় সরকারি বনজ সম্পদ লুঠ হওয়ার পাশাপাশি শ্যালো মেশিন ও করাতের শব্দে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং কাঠের গুঁড়োয় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

শায়েস্তাগঞ্জ রেঞ্জার তোফায়েল আহমদ চৌধুরী জানান, রিট মামলার স্থগিতাদেশের অজুহাতে অনেক মালিক করাত কল চালাচ্ছেন। তবে অবৈধ কলগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্নের বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্ণপাত না করায় তাঁরা এখন উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছেন।

বনাঞ্চল রক্ষা ও পরিবেশ দূষণ রোধে শিগগিরই জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে বন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
SuMoTuWeThFrSa